logo

কবি বেলাল চৌধুরী আইসিইউতে

কবি বেলাল চৌধুরী আইসিইউতে

ঢাকা,  ০৫ সেপ্টেম্বর- একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি বেলাল চৌধুরীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। ঈদের দিন শনিবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের আইসিইউতে পুনরায় ভর্তি করা হয়।

তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

কবি বেলাল চৌধুরীর বড় ছেলে আবদুল্লাহ প্রতীক চৌধুরী সোমবার বলেন, ‘বাবার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ঈদের আগের দিন, শনিবার তাকে চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঈদের দিন রাতে তার অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে তাকে পুনরায় হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরও জানান,  তার চিকিৎসার জন্য ডা. ফিরোজ আহমেদ কোরাইশির নেতৃত্বে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, তার পিতার শারীরিক অবস্থা এখন ‘স্থিতিশীল’ আছে তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই।’

বর্তমান শারীরিক অবস্থার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাবা কথা বলছেন না,  তবে ডাক দিলে সাড়া দিচ্ছেন। তবে খাওয়া-দাওয়া এখনও নলের মাধ্যমেই করছেন তিনি।’

ষাটের দশকের অন্যতম সেরা কবি বেলাল চৌধুরী গত ২৭ আগস্ট নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিকস ও কিডনি সমস্যায় ভুগছেন।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সাংবাদিক বেলাল চৌধুরী ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস থেকে প্রকাশিত ‘ভারত বিচিত্রা’র সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন। রুপালী গ্রুপের ‘সাপ্তাহিক সন্দ্বীপ’ পত্রিকাটিও তিনি সম্পাদনা করেন। বেশ কয়েক বছর ভারতের কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা ‘কৃত্তিবাস’এ চাকরি করেন। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘নিষাদ প্রদেশে’, ‘আত্মপ্রতিকৃতি’, ‘স্থিরজীবন ও নিসর্গ’, ‘স্বপ্নবন্দী’, ‘সেলাই করা ছায়া’, ‘কবিতার কমলবনে’, ‘যাবজ্জীবন সশ্রম উল্লাসে’, ‘বত্রিশ নম্বর’। সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৪ সালে তিনি একুশে পদক পান। পেয়েছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারও।

আর/১০:১৪/০৫ সেপ্টেম্বর