Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২০ , ১৬ মাঘ ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-০৭-২০১৯

নীনা আহমেদকে ডেমোক্র্যাট নেতাদের সমর্থন

নীনা আহমেদকে ডেমোক্র্যাট নেতাদের সমর্থন

নিউইয়র্ক, ০৭ ডিসেম্বর- পেনসিলভানিয়ার অডিটর জেনারেলের পদে প্রার্থী হিসেবে ড. নীনা আহমেদকে সমর্থন জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। ২ ডিসেম্বর ফিলাডেলফিয়ার একটি হলে পেনসিলভানিয়ার সাউথ ওয়েস্ট কোয়ালিশন অব ইলেক্টেড অফিশিয়ালস নামের একটি শক্তিশালী গ্রুপ এ সমর্থনের কথা ঘোষণা করে।

স্টেট সিনেটর অ্যান্থনি উইলিয়ামস, সিনেট ডেমোক্রেটিক হুইপ ও স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ জর্ডান হ্যারিস, ডেমোক্রেটিক হুইপ, স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ ও হাউস ডেমোক্রেটিক ককাস চেয়ার জোয়ানা ম্যাকক্লিনটন এবং চেয়ার অব ট্রান্সপোর্টেশন অ্যান্ড পাবলিক ইউটিলিটিজ কাউন্সিলওম্যান কেনিয়াটা জনসন এক যৌথ ঘোষণায় বলেন, ‘আমরা ড. নীনা আহমেদকে অনেক বছর থেকে ডেমোক্রেটিক দলের নেতৃত্বে দেখছি। নীনা আহমেদ ফিলাডেলফিয়া সিটির বিভিন্ন কমিটির দায়িত্বে ছিলেন, মেয়রের এশিয়ান কমিটির প্রধান ছিলেন। আমরা তাঁর জ্ঞান, সততা, কর্মদক্ষতা, মানুষের জন্য ভালোবাসা ও স্বাধীনচেতা তেজদীপ্ত নেতৃত্ব দেখে বিস্মিত হয়েছি।’

ডেমোক্রেটিক দলের প্রভাবশালী এ নেতারা বলেন, ‘আমরা সাধারণত কাউকে প্রাইমারিতে শক্ত সমর্থন দিই না। কিন্তু আমরা নীনা আহমেদকে শুধু মুখেই সমর্থন দিচ্ছি না। আমরা তাঁর জন্য ভোটারদের ঘরে ঘরে যাব।’ তাঁরা বলেন, ‘ড. নীনা আহমেদ বাংলাদেশের মেয়ে। তিনি মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন। সেই সময়ে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা নিজের চোখে দেখেছেন। তাই আমেরিকার গরিব মানুষের অধিকারের জন্য তিনি নিজের আয়েশের জীবন ছেড়ে সংগ্রামে নেমেছেন।’

বক্তারা বলেন, ‘আমেরিকার জাতীয় নারী সংগঠনের ফিলাডেলফিয়া চ্যাপ্টারের সভাপতি ছিলেন নীনা আহমেদ। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এশিয়ান কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। ছিলেন ফিলাডেলফিয়া শহরের ডেপুটি মেয়র। গত বছর পেনসিলভানিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে মাত্র ১১ সপ্তাহ প্রচার চালিয়ে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে তিনি নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ রেখেছেন।’

অনুষ্ঠানে ডেমোক্র্যাট নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে নীনা আহমেদ বলেন, ‘অডিটর জেনারেলের দায়িত্ব অনেক বড়। আপনাদের করের অর্থ কোথায় ব্যয় হয়, তা দেখার দায়িত্ব অডিটর জেনারেলের।’ তিনি বলেন, ‘আজ আমেরিকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতে অর্থ না দিয়ে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনেক অসৎ আইনপ্রণেতা ও ব্যবসায়ী লুটপাট করছে। আপনাদের সবাইকে নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে আমার যুদ্ধ হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদকে নিজের ‘মেন্টর’ ও ‘রাজনৈতিক অভিভাবক’ আখ্যা দিয়ে নীনা আহমেদ বলেন, ‘তিনি দুর্দিনে শুধু অস্ত্র হাতে যুদ্ধই করেননি। তাঁর বাবাও ছিলেন একজন চিকিৎসক, যিনি মানবতার সেবা করতে গিয়ে যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। বাংলাদেশি আমেরিকানরা এই দেশের উন্নতির জন্য স্ব স্ব ক্ষেত্রে আপ্রাণ কাজ করছেন।’

জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ড. নীনাকে আমি ২৬ বছর থেকে জানি। তিনি নামের জন্য বা অর্থের জন্য রাজনীতিতে আসেননি। তিনি একজন বিজ্ঞানী হয়ে মূল্যবান গবেষণায় ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন, এ দেশের অনেক মানুষ কোনো কোনো ক্ষেত্রে গরিব দেশের মানুষের চেয়েও খারাপ আছে, তখন তিনি তাদের জীবনের উন্নতির জন্য রাজনীতিতে আসেন। ছোট একটি কমিউনিটির সদস্য হয়েও নিজের দক্ষতা ও একান্ত প্রচেষ্টায় আজ আমেরিকার রাজনীতিতে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়িয়েছেন।’

অনুষ্ঠানে নীনা আহমেদের স্বামী নাসরুল্লাহ ও ওয়েস্ট ফিলাডেলফিয়ার ডেমোক্রেটিক পার্টির লিডার মো. হারিস ও মো. এনাম উপস্থিত ছিলেন। সব শেষে নীনা আহমেদ আগের নির্বাচনে সব অঙ্গরাজ্যের বাংলাদেশিদের কাছ থেকে পাওয়া অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান।

এন কে / ০৭ ডিসেম্বর

যূক্তরাষ্ট্র

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে