৪ হাজার ৩৪১ হজযাত্রীকে প্রায় ৫ কোটি টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর – সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। রবিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন।
২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের অনুকূলে সৌদি পর্বের অব্যয়িত অর্থ ফেরত প্রদান প্রসঙ্গে এই সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার উপস্থিত ছিলেন। ধর্মমন্ত্রী জানান যে এই অর্থ সরাসরি হাজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হবে।
টাকা ফেরতের নামে কেউ কার্ড নম্বর বা ব্যক্তিগত তথ্য চাইলে তাদের প্রতারক হিসেবে গণ্য করে সচেতন থাকার জন্য তিনি সকলকে অনুরোধ করেন। কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় হজ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সুষ্ঠু হয়েছে।
এছাড়া আগামী ২০২৭ সালের হজের জন্য বিমান ভাড়াও কমানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে ২৩ জন হাজির চিকিৎসা ব্যয় তাদের স্বাস্থ্য বিমার সীমার চেয়ে বেশি হওয়ায় তারা কোনো অর্থ ফেরত পাবেন না। প্রতিমন্ত্রী বলেন যে সরকারি মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনায় অর্থ ফেরত দেওয়ার সুযোগ থাকলেও বেসরকারি ক্ষেত্রে সেটি সম্ভব হয় না।
এস এম/ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
FAQ
১. ২০২৬ সালের হজের কত টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে?
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী ৪,৩৪১ জন হাজিকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
২. হজের রিফান্ড কীভাবে পাওয়া যাবে?
ফেরতের অর্থ হাজিদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। ইএফটি পদ্ধতিতেও অর্থ পাঠানোর কথা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
৩. সবাই কি সমান টাকা ফেরত পাবেন?
না। হজ প্যাকেজ ও সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী ফেরতের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
৪. কতজন হাজি টাকা ফেরত পাবেন না?
২৩ জন হাজি রিফান্ড পাবেন না। তাঁদের চিকিৎসা ব্যয় স্বাস্থ্যবিমার নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি হওয়ায় ফেরতযোগ্য অর্থ অবশিষ্ট নেই।
৫. রিফান্ড পেতে কি কার্ডের নম্বর বা পিন দিতে হবে?
না। রিফান্ডের জন্য ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের নম্বর বা বিকাশ, নগদ, রকেটের পিন দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ ধরনের তথ্য চাইলে প্রতারণার আশঙ্কায় সতর্ক থাকতে হবে।







