অনিয়মে যখন ডুবছে মেঘনা এমডির মেয়াদ তখন বাড়ছে

ঢাকা, ১২ মার্চ – মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মীর ছাইফুল্লাহ আল খালেদ গত মেয়াদে একই দায়িত্ব পালনকালে কোম্পানির সেলস অফিস ও ডিপোগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতি; বেড়েছে নিম্নমানের জ্বালানি তেল সরবরাহ। সে সময় কয়েকটি ডিপোতে চলা বিভিন্ন অনিয়মের কারণে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এর দায়ভার মীর ছাইফুল্লাহর ওপর বর্তায়। মেঘনার এ এমডির বিরুদ্ধে আনীত অসংখ্য অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির সরেজমিন তদন্তে বেশকিছু অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে।
সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারির ৩ তারিখে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে অন্তত দুডজন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। পরে জ্বালানি বিভাগ থেকে অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। বিপিসির চেয়ারম্যান বিষয়টি তদন্ত করতে দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দেন বিপিসির কোম্পানি সচিব ও ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপকের (নিরীক্ষা) সমন্বয়ে। বিপিসির গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের একটি কপি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। তদন্ত রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুডজন অভিযোগের মধ্যে ছয়টি অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
এদিকে এন্তার অনিয়মের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি বিধি ভঙ্গ করে জ্বালানি তেল বিপণনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এ এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ ফের বাড়ানো হচ্ছে। সম্প্রতি মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পরিচালক পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটির এমডির চুক্তির মেয়াদ এক বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এ ক্ষেত্রে ‘আইন মানা হয়নি’ অভিযোগ তুলে পরিচালক পর্ষদের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়ে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে মেঘনার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিপিসি।
সম্প্রতি বিপিসির সচিব লাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিপিসি সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জানুয়ারি মেঘনার এমডি মীর ছাইফুল্লাহ আল খালেদের দুবছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এর আগে ১১ জানুয়ারি পরিচালক পর্ষদের সভায় তাকে পুনরায় আরও এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমপিএল পর্ষদসভায় গৃহীত এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়নি বলে আপত্তি জানিয়েছে বিপিসি।
আরও পড়ুন : বাংলাদেশে চীনা প্রকল্পের তথ্য ‘ফাঁস’ করা যাবে না
সূত্রে জানা যায়, সচেতন কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয়ে যারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এমডির বিরুদ্ধে, তারা অভিযোগের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দলিলাদিও যুক্ত করেছেন। কমিটি ১৮ জানুয়ারি অভিযোগের বিষয়ে মীর ছাইফুল্লাহ আল খালেদ এর বক্তব্য প্রদানের জন্য চিঠি দিলে তিনি ২১ জানুয়ারি অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংযুক্ত করে ১৭৮ পাতার একটি জবাব দেন। পরে কমিটি মেঘনার প্রধান কার্যালয়সহ পরিদর্শনসহ তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে তদন্ত শেষ করেন।
অনেকগুলো অভিযোগের মধ্যে একটি ছিল মীর ছাইফুল্লাহ আল খালেদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হওয়ার পর বিভিন্ন সেলস্ অফিস ও ডিপোতে অনিয়ম ও দুর্নীতি বেড়ে যায়। এ ছাড়া নিম্নমানের জ্বালানি সরবরাহ হয়েছে। এ অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে কমিটি। কমিটি বলছে তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছে জ্বালানি তেলের বিক্রয় কার্যক্রম যথাযথভাবে মনিটরিং হচ্ছে কি না, সে সম্পর্কে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ডিপোগুলোয় অপারেশনাল লস, গেইন সংক্রান্ত তথ্যাদিসহ বর্ণিত দুজন কর্মকর্তা হতে লিখিত বক্তব্য সংগ্রহ করেছে। কমিটি তথ্যাদি পর্যালোচনা করে বলছে জ্বালানি তেলের বাজার মনিটরিংয়ের জন্য নির্ধারিত কোনো পদ্ধতি বা নীতি কোম্পানি থেকে গ্রহণ করা হয়নি। কেবল গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলেই তারা নজরদারির উদ্যোগ গ্রহণ করত।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, মীর ছাইফুল্লাহ আল খালেদ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের আগে সব ডিপোগুলোর কম্বাইন্ড গেইন ছিল ০.০৪ শতাংশ, যা ২০১৯-২০ সালে অপরিবর্তিত ছিল। কিন্তু বাঘাবাড়ী ডিপোর লসের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ছাইফুল্লাহ আল খালেদ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে বাঘাবাড়ী ডিপোর বার্ষিক গেইন ছিল যথাক্রমে ২০১৪-১৫ সালে ৭৯,৪৪৮ লিটার, ২০১৫-১৬ সালে ৪১,১৫৩ লিটার এবং ২০১৬-১৭ সালে ৩৫০৯৭ লিটার। কিন্তু ছাইফুল্লাহ আল খালেদ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর বাঘাবাড়ী ডিপোর গেইনের পরিবর্তে ২০১৭-১৮ সালে (৬৯,২৭৬) লিটার, ২০১৮-১৯ সালে (১,৫৪,২৬৪) লিটার এবং ২০১৯-২০ সালে (১,৪৮,৯৪৬) লিটার তেল ঘাটতি হয়।
বাঘাবাড়ীর ঘাটতি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া তিনি ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে কোম্পানির বিপণন কার্যক্রম বা বিক্রয় এর প্রবৃদ্ধির জন্য কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে না। বিপিসি কোনো বিষয়ে তৎপর না হলে কোম্পানি গুরুত্ব দিত না। নিয়মিতভাবে মাঠপর্যায়ে ডিলার এবং মাঠপর্যায়ে মনিটরিং করা হতো না। আর্থিক কর্মকা- বিবেচনায় এত বড় কোম্পানির বাজার মনিটরিং ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কোনো রুটিন মাফিক করা হতো না।
এ ছাড়া চট্টগ্রামে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের (এমপিএল) প্রধান কার্যালয়ে ভবন নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। কিন্তু যথাযথভাবে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট না করায় ভবনটি নির্মাণে ১ম পর্যায়ে ডিপিপি সংশোধনের মাধ্যমে আট কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশোধিত প্রকল্প কাল জুন ২০২০ মাসে শেষ হয়ে যায় ওই সময় প্রকল্পের আর্থিক ও ভৌত অগ্রগতি ছিল পর্যায়ক্রমে মাত্র ১৭ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ। প্রকল্পকাল শেষ হওয়ার পরও নতুন করে আরডিপিপি পুনরায় সংশোধনের কোনো অগ্রগতি হয়নি।
এ ছাড়া অভিযোগে তদন্ত রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, আরও তিনটি উন্নয়নমূলক কাজের একটিও নির্ধারিত সময়ে সঠিক নিয়ম মেনে সম্পন্ন করার কোনো চেষ্টা করেনি। যার মধ্যে খুলনার মহেশশ্বর পাশায় কোম্পানির একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদনে ঘোষণা দেওয়া হয়। অথচ কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা এমপিএলের কাজ নয়। এ ধরনের কাজ প্রকল্প আকারে গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করতে হয় এ জন্য কোনো ডিপিপি প্রণয়ন না করে প্রায় ২ কোটি টাকার কাজ করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতার মধ্যে আরও রয়েছে এমপিএলের এজিএম রেজা মো. রিয়াজ উদ্দিন এজিএম (মানবসম্পদ) থাকাকালীন তাকে ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর কোম্পানি সচিবের (ডিজিএম পদমর্যাদার) অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ সময় ডিজিএম পদে ৬ জন কর্মকর্তা কর্মরত ছিলেন। ৬ জন ডিজিএম থাকা অবস্থায় নিচের পদে কর্মরত কর্মকর্তাকে ওপরের পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান আইন অনুযায়ী হয়নি। ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। তদন্ত কমিটি বলছে অতীতে এমন ধরনের নজির কোম্পানিতে হয়নি।
এ ছাড়া আরও রয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থ সরকারি বেসরকারি ব্যাংক এবং নির্ধারিত কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাখার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সার্কুলার জারি করা হয়। ছাইফুল্লাহ আল খালেদ সরকারি নিয়ম অনুসরণ না করে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ব্যাংকে অর্থ জমা করেন। যার মধ্যে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বেসরকারি ফারমারস ব্যাংকের তিনটি শাখায় ১৫ কোটি টাকার মেয়াদি হিসাব খোলে, যা বর্তমানে অনেক চেষ্টা করেও ওই ব্যাংকের শাখাগুলো থেকে জমাকৃত টাকা তোলা সম্ভব হচ্ছে না।
এ ছাড়া ২০১৬ সালের ২৯ আগস্ট এমপিএলের ৫০৮ বোর্ড সভায় বিপিসির মালিকানাধীন জয়পাড়াস্থ মেঘনা আবাসিক ভবনের একটি ফ্ল্যাটকে রেস্ট হাউস হিসেবে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন চাইলে বোর্ড অনুমোদন করেন। হাউস পরিচালনার নীতিমালা প্রণীত হয় এবং নীতিমালা অনুযায়ী কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছাইফুল্লাহ খালেদ নিয়মিত বিল পারিশোধ করে বসবাস করে থাকেন। বোর্ড থেকে অনুমোদন গ্রহণকালে এমপিএল কী কী শর্তে বিপিসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ওই জায়গাটি লিজ গ্রহণ করে সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য বোর্ডসভায় উপস্থাপন করা হয়নি।
জান গেছে, মীর ছাইফুল্লাহকে ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দেয় বিপিসি। ২০১৭ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তাকে এমডি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি তার অবসরে যাওয়ার সময় নির্ধারিত ছিল। পরে তাকে এমডি পদেই আবার দুবছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ২৩ জানুয়ারি চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। এর আগে গত ১১ জানুয়ারি মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পরিচালক পর্ষদের ৬১৯তম সভায় তাকে পুনরায় আরও এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২৫ জানুয়ারি থেকে অথবা যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য তিনি মেঘনার এমডি থাকবেন। পর্ষদের সিদ্ধান্ত (বিবিধ-০১/২০২১নং সিদ্ধান্ত) বলা হয়, তার (এমডির) চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পূর্বে সর্বশেষ নেওয়া শেষ বেতনকে ভিত্তি ধরে চাকরি (বেতন ভাতাদি) আদেশ ২০১৪ অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান অনুসরণে বেতন ভাতাদি নির্ধারণ করা হবে। এ ছাড়া কোম্পানি প্রদত্ত অন্যান্য প্রচলিত সুবিধাদি প্রাপ্ত হবেন। সিদ্ধান্তটি কোম্পানি সচিব সরাসরি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রেরণ করেন।
এদিকে মেঘনার কোম্পানি সচিব রেজা মো. রিয়াজউদ্দিনের কাছে পাঠানো বিপিসির চিঠিতে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পরিচালক পর্ষদের ৬১৯তম সভার বিবিধ-০১/২০২১নং সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বলা হয়। বিপিসির সচিব মো. লাল হোসেন এক চিঠিতে বলেন, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের মেমোরেন্ডাম অ্যান্ড আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশনের ১৩১(ক) ধারা অনুসারে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবশ্যই করপোরশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে। এতে আরও বলা হয়- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন আইন, ২০১৬-এর ১১(ঢ)তে ‘বিপিসি’র অধীনস্থ’ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহী নিয়োগের ক্ষেত্রে করপোরেশনকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পরিচালক পর্ষদের সিদ্ধান্ত কোম্পানি বিধি ও বিপিসি আইনের লঙ্ঘন এবং এ ধরনের এখতিয়ারবহির্ভূত সিদ্ধান্ত। ভবিষ্যতে খারাপ নজির হিসেবে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই পরিচালক পর্ষদের এ সিদ্ধান্ত বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা পুনরায় বিপিসিকে অবহিত করার জন্য পত্রে নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে মেঘনার ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে আনীত বিভিন্ন অভিযোগের কিছু অংশ প্রমাণিত এবং বিপিসিকে পাশ কাটিয়ে এমডি নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে মীর ছাইফুল্লাহ আল খালেদ বলেন, নিয়ম অনুযায়ীই জ্বালানি বিভাগ তাকে নিয়োগ দিয়েছে। তদন্তে বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতার বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির কাছে আমি সব তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেছি। আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা নয়। এর পরও যদি কোনো অভিযোগ সত্য বলে তদন্ত কমিটি বলে থাকে তবে সেটা মন্ত্রণালয় থেকে আবার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে পুনঃতদন্ত করলেই প্রমাণ হবে আমি নির্দোষ।
তদন্ত রিপোর্টের বিষয়ে বিপিসির সচিব মো. লাল হোসেনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বললে তিনি বলেন, তদন্ত বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিপিসির চেয়রাম্যান মো. আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। পরবর্তী পদক্ষেপ আইন অনুযায়ী নেওয়া হবে।
সূত্র : আমাদের সময়
এন এ/ ১২ মার্চ









