Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ৫ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (52 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-০৯-২০১৩

খালেদা জিয়া গ্রেফতার হচ্ছেন কবে?

পীর হাবিবুর রহমান



	খালেদা জিয়া গ্রেফতার হচ্ছেন কবে?

১. জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গ্রেফতার হচ্ছেন কবে? বিরোধী দলের নেতা-কর্মীসহ সবার মুখেই এখন এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। '৯০-উত্তর গণতন্ত্রের ২২ বছরে এবার যেভাবে বাস পোড়ানো মামলায় বিরোধী দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের গ্রেফতার করে জেলে নেওয়া হয়েছে তা অতীতে কখনো হয়নি। সর্বশেষ রবিবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেই আদালতে জামিন না পেয়ে সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকেও অন্য নেতাদের সঙ্গে জেলে যেতে হয়েছে। তা দেখে অনেকেই বলেছেন, খালেদা জিয়ার গ্রেফতার নাকি সময়ের ব্যাপার মাত্র!

এ আমলে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও গৃহবন্দি বা গ্রেফতারের মুখোমুখি হতে হবে এবং সেই সময় ঘনিয়ে এসেছে। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং তার মুখে ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি তখন গ্রেফতারের পথ নেওয়া সরকারের পক্ষে অস্বাভাবিক নয়। একই সঙ্গে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন বলেছেন, 'আমিই নাকি ওদের টার্গেট কিন্তু ভয় পাই না'।
 
এ ছাড়া বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বার বার গ্রেফতার হলেও এবং খালেদা জিয়ার এক দফা আন্দোলন চলমান থাকলেও দলের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদমুখর না হতে পারায় সরকার বিএনপি নেত্রীকে আটক করে তাদের আন্দোলন দমানোর পথেই হাঁটবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন। এমনকি সহিংস সংঘাতের রাজনীতি অব্যাহত থাকলে জরুরি অবস্থা ঘোষণার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে বলে জল্পনা-কল্পনা বাড়ছে। এত মামলা, এত নেতা গ্রেফতারের ঘটনা অতীতে না হলেও বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর যে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল, যেভাবে শাহ এ এম এস কিবরিয়াদের হত্যা করা হয়েছিল, তোফায়েল আহমেদের মতো নেতাকে সিঙ্গাপুর থেকে নামতেই বিমানবন্দর থেকে সোজা জেলে নেওয়া হয়েছিল, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বা আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমদের নির্যাতন করা হয়েছিল; তার পরিণতি সুখকর হয়নি বিএনপি সরকার বা রাজনীতির জন্য। আজকের ডাণ্ডাবেড়ির শাসন বা দমননীতি সুখকর হবে এমনটা কেউ বিশ্বাস করছেন না। এমনকি যারা চান সংলাপে সংকটের সমাধান তাদের ভাষায় উপমহাদেশে বঙ্গবন্ধু, ইন্দিরা গান্ধী বা এরশাদের জরুরি অবস্থারও পরিণতি ভালো হয়নি। প্রধানমন্ত্রীকে যারা চেনেন তারা বলছেন, জরুরি অবস্থার সম্ভাবনা নেই।
 
২. তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের যে রাজনীতি রাজপথকে অগি্নগর্ভ করার কথা ছিল তা ঘুরে গেল যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায় নিয়ে জামায়াত-শিবিরের দেশজুড়ে সহিংস তাণ্ডব ও শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের নিরন্তর আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। জনগণের রায়ে সরকার ব্যাপক সমর্থন নিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করেছিল। রায়ও হচ্ছিল। একটি রায়ের আগের দিন রাজপথে পুলিশ-জামায়াতের সখ্যের দৃশ্য অাঁতাদের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে দিল। রায়ের প্রতিবাদে শাহবাগে তারুণ্য ছুটে এলো। সেই তারুণ্যকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে না দিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলেন এককালের চীনা ও মস্কোপন্থি বামেরা। চরম আওয়ামী লীগ ও মুজিববিদ্বেষী স্বাধীনতা-উত্তরকালের কিছু চেনামুখ শাহবাগকে ভর করে রাজনীতিতে নতুন ইস্যু যুক্ত করে দিলেন। চলমান বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে ফাঁসির দাবিতে একাট্টা হয়ে শাহবাগকে যেমন সামনে ঠেলে দিলেন তেমনি কিছু কিছু কর্মসূচি দিয়ে সরকারকে যেন খানিকটা চ্যালেঞ্জও দিয়ে দিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের সঙ্গে, শাহবাগের তারুণ্যের আবেগ-অনুভূতির সঙ্গে একাত্দ হলেও কখনোই চাননি শাহবাগ অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকুক। কিন্তু সরকারের ভেতরের সরকার বা আদর্শচ্যুত আশ্রিত বামেরা থামতে দিলেন না। সরকার হয়ে গেল শাহবাগের অংশ। চলতে থাকল দেশজুড়ে জামায়াত-পুলিশের সহিংস সংঘর্ষ। তামাম দুনিয়া দেখল ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মতো এক পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছে, অন্য পক্ষ গুলি ছুড়ছে। লাশের মিছিল বাড়তে থাকলেও সমঝোতা-সমাধানের পথ কেউ দেখাতে পারলেন না। বিশ্ববাসী আরও দেখল কী বর্বরতায় একজন কর্মরত পুলিশকে আরেক পক্ষ মারতে মারতে মাথা থেঁতলে দিচ্ছে। এরই মধ্যে আলেম-ওলামাদের সংগঠন হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সরকার সমঝোতার চেষ্টা চালালেও শাহবাগের নেপথ্য কুশীলবরা সুনজরে দেখেননি। হেফাজতকে জামায়াতের পাল্লায় তুলে দিতে সরকারি জোটের মন্ত্রী-নেতারাও মুখ খুললেন অবিরাম। হেফাজতের লংমার্চ ঠেকাতে রাতের বেলা হরতাল কর্মসূচি দিতে এগিয়ে এলেন ঘাতক দালাল নির্মর্ূল কমিটির শাহরিয়ার কবির ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। অন্যদিকে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চকে দিয়ে রেল, নৌ ও সড়ক পথ অবরোধের ডাক দেওয়ানো হলো। সরকার নিজেও সব পথ বন্ধ করে দিল। তবুও শেষ পর্যন্ত সরকার ও হেফাজত নেতৃত্বের ভূমিকার কারণেই হোক আর অন্য কারণেই হোক, শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামা-লাখো মুসলি্লর জনসমুদ্র শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো। রাজনীতিতে দৃশ্যপট বদলের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির রাজনীতি পেছনে ঠেলে সামনে এলো হেফাজতে ইসলাম। উচ্চারিত হলো ১৩ দফা। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা হলো। গোটা দুনিয়া দেখল ৩০ লাখ শহীদ ও আড়াই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে জাতির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বহাল থাকলেও রাজপথজুড়ে শত বাধার পরও আলেম-ওলামা আর মাদ্রাসা ছাত্র-শিক্ষকদের উত্তাল জনসে াত। তাদের দাবি অনেক। যেসব দাবির কোনোটিই একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তবে যেখান থেকে এই বিক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে অর্থাৎ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, তার বিরুদ্ধে সরকার ও দায়িত্বশীল মহলের অবস্থান পরিষ্কার রাখতেই হবে। ভুললে চলবে না, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে নাস্তিকরাও সমান নাগরিক অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে চলার অধিকার রাখেন। কিন্তু কেউ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অধিকার বা ক্ষমতা রাখেন না। একটি মডারেট মুসলিম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ শাসন পরিচালনায় রাষ্ট্রনায়কদের যে মধ্যপন্থি নীতিতে চলার কথা ছিল তা থেকে নেতৃত্বের বিচ্যুতি ঘটেছে বলে অনেকে মুখ খুলছেন। একজন উগ্র ডান, আরেকজন বাম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে জাতীয়তাবাদী উদার গণতন্ত্রের রাস্তা থেকে সরে গেছেন। আর তাই সংকট সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে এবং এ রাজনৈতিক সহিংসতা রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে শেষ তলানিতেই নিয়ে যায়নি, দেশের অর্থনীতিকেও শেষ করে দিচ্ছে।
 
৩. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিবিসি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, এখানে ব্লাসফেমি আইন হবে না এবং সেনা হস্তক্ষেপও ঘটবে না। দেশের মানুষও চায় না ঘটুক। গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনের নিরবচ্ছিন্ন ধারায় '৯০-উত্তর ২২ বছরের শাসনব্যবস্থায় দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর ভূমিকা ইতিবাচক ও ঐতিহাসিক। কিন্তু নির্মম বাস্তবতা যে দিনমজুর থেকে সমাজের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ চায় সংঘাতের ভেতর থেকে, রক্তপাতের বীভৎস ধারা থেকে, নির্দয় দমনের পথ থেকে বেরিয়ে রাজনীতি সমঝোতার আলো দেখুক। কিন্তু সেই আলো দেখাতে সরকার এখনো কোনো আন্তরিক উদ্যোগ নেয়নি। দেশে চলমান রাজনীতির কারণে জাতীয় প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আসা দূরে থাক, দেশীয় বিনিয়োগ মুখ থুবড়ে পড়েছে। সংঘাতের রাজনীতির মুখে স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্যের চিত্র সামনে নিয়ে ছোট-বড় বিনিয়োগকারীরা লোকসানের হিসাব গুনছেন। সবাই বলছেন, এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। রাজনৈতিক নেতৃত্বের বাহাস বা পারস্পরিক দোষারোপ মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করার বদলে ক্রমাগত বিক্ষুব্ধ করে তুলছে। প্রশাসনসহ সর্বত্র অসন্তোষ বাড়ছে। ২২টি বছর ধরে রাজনীতিতে সমঝোতা বা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের সংস্কৃতির বদলে বিরোধ, সংঘাত, দমন-নির্যাতন ও প্রতিহিংসার এক অসুস্থ সংস্কৃতি দানবের রূপ নিয়েছে। দলীয়করণ, দুর্নীতির মাত্রা লাফিয়ে লাফিয়ে অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। দুর্নীতিবাজেরা দিনে দিনে দেশের বাইরে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা রাখলেও গণমানুষের ভাষা ধারণ করার চেষ্টাও করছেন না। দুর্নীতির বরপুত্র কী রাজনীতিবিদ, কী মধ্যস্বত্বভোগী দালাল, কী প্রশাসনের আমলা বা ট্রেড ইউনিয়নের নেতা_ দেশে দেশে নিরাপদ আবাস গড়েছেন। খবর মানুষের মুখে মুখে। কানাডার একটি জায়গায় নাকি বেগম সাহেবেরা আগাম চলে যাওয়ায় সেখানকার প্রবাসীরা ওই এলাকার নাম দিয়েছেন 'বেগমগঞ্জ'।
 
বিপদ দেখলেই সাহেবরাও চলে যাবেন। মূল্যবোধহীন অবক্ষয়ের রাজনীতি শেষ তলানিতে। রাজনীতিবিদেরা, স্বাধীনতাসংগ্রামীরা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতারা কিংবা মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় বীরেরা চরমভাবে উপেক্ষিত। রাজনীতি রাজনীতিবিদদের হাতে নেই। ২২টি বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ। বিভক্ত রাজনীতি দুই শিবিরের শীর্ষে বাস করা নেতৃত্ব এর পরিণতি দেখেও দেখছেন না। রাজনীতিতে আদর্শবান কর্মী উঠে আসার সিঁড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ছাত্র রাজনীতি গৌরবের ঐতিহ্যের জৌলুসই হারায়নি, বন্ধ্যা নদীর চেহারাই নেয়নি, নানা ঘটনাপ্রবাহে কলঙ্কিত হচ্ছে। আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব উঠে আসার তারুণ্যের রাজনীতির পথকে রুদ্ধ না রেখে খুলে দেওয়ার কথা কেউ যেমন ভাবছেন না, এর পরিণতিতে তারুণ্যের বিদ্রোহের পূর্বাভাসও কেউ টের পাচ্ছেন না। জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে রাষ্ট্র পরিচালনায় সাফল্য কুড়াতে হলে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের নীতিতে ঘরে-বাইরে হাঁটতে হবে। দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা বাড়াতে হবে। প্রাজ্ঞ, অভিজ্ঞ, জনগণসম্পৃক্ত রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে নতুন নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে রাজনীতিকে বর্ণময় করতে বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিকল্প নেই। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরে দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনীতি হতে হবে ব্যবসাবান্ধব। লক্ষ্য অর্জনের জন্য অতীত তিক্ততার পথে পা না বাড়িয়ে সরকার-বিরোধী দল ও সমাজের নানা চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সমন্বয়ের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রকে কার্যকর করেই সামনে এগোতে হবে। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সামনে রেখে সংলাপের পথে সমঝোতার সেই দুয়ার খুলে দিতে হবে। পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের সূচনা ঘটাতে না পারলে তা সম্ভব নয়। জাতীয় ইস্যুতে এ জটিল পরিস্থিতির মুখে নাটকীয়ভাবে সরকার ও বিরোধী দলকে নূ্যনতম জাতীয় ইস্যুতে সমঝোতায় না এলে এ অাঁধার কাটবে না। মানুষ এ অাঁধারের পথে হাঁটতে চায় না। মানুষ সংকট চায় না। সংঘাত চায় না। সহিংসতা ও মৃত্যুর মিছিলের মুখোমুখি হতে নারাজ। মানুষ চায় শান্তি, সমাধান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত একখানি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক দেশ। একটি সুন্দর স্থিতিশীল সমাজ। সেটি রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিতে পারলে হেফাজতে ইসলামের ডাকে ১৩ দফা নিয়ে যেভাবে আলেম-ওলামা-মুসলি্লরা ছুটে এসেছেন তখন তারাও আসবেন না। সর্বগ্রাসী দুর্নীতি, দলীয়করণ, সংঘাত-সংঘর্ষের রাজনীতির মুখে হতাশাক্ষুব্ধ দেশবাসীর সামনে তারা শত বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে আসতে সফল হয়েছিলেন। দেশের পরিস্থিতি সব দিক দিয়ে অবনতিশীল না হলে এভাবে এত দাবি নিয়ে তারা আসতে পারতেন না।

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে