Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০ , ১৯ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (42 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১১-১০-২০১১

৫ই জানুয়ারির মধ্যেই কুমিল্লা সিটির নির্বাচন

৫ই জানুয়ারির মধ্যেই কুমিল্লা সিটির নির্বাচন
আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ায় আগামী ৫ই জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন গতকাল এ তথ্য জানান। কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গতকাল তিনি বলেন, বর্তমান কমিশনের অধীনেই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নতুন এই সিটি করপোরেশনের সীমানা নির্ধারণী গেজেট প্রকাশ করায় সব আইনি বাধা কেটে গেছে। এ অবস্থায় সিটি করপোরেশনের গেজেট প্রকাশ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে সে অনুযায়ী আগামী ৫ই জানুয়ারির মধ্যে কুমিল্লা সিটির নির্বাচন হবে। সাখাওয়াত বলেন, নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে কমিশন কাল (বৃহস্পতিবার) বৈঠকে বসবে। বৈঠক থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। এক প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত বলেন, ইচ্ছা না থাকলেও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে ৫ই জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। এ সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং ভোটার তালিকার সিডি তৈরি করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সরবরাহ করা হবে। কুমিল্লা সিটি নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে সাখাওয়াত বলেন, নারায়ণগঞ্জের মতো এ নির্বাচনেও প্রার্থীদের আয়-ব্যয় মনিটরিং করার জন্য আলাদা কমিটি নিয়োগ করা হবে। আর মোট ভোটকেন্দ্রের ৫০ ভাগ সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে। সাখাওয়াত বলেন, কমিশন লক্ষ্য করছে নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড দিয়ে কুমিল্লা ছেয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখেই কমিশন প্রার্থীদের কাছ থেকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব নেবে। আর প্রার্থীদের আয়করের বিষয়টি রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে। কোন সম্ভাব্য প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি সৌজন্যমূলক প্রচারণা চালালে ওই ব্যক্তি কর দেন কি-না তা খতিয়ে দেখতে কমিশন সরকারকে অনুরোধ করবে। বাড়তি অর্থ খরচ করে বিশেষ কোন লাভ হয় না, এর প্রমাণ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সবাই পেয়েছে। কুমিল্লায় ইভিএম বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে জানিয়ে সাখাওয়াত বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকায় ভোটার মাত্র দেড় লাখ। এজন্য এখানে বুথ সংখ্যা কমিয়ে আনা হতে পারে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী পরিবেশ নারায়ণগঞ্জের মতো জটিল হবে না মন্তব্য করে সাখাওয়াত বলেন, এ কারণে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নাও নিতে পারে কমিশন। তিনি বলেন, বেশি সংখ্যায় র‌্যাব নিয়োগ করা হলে সেনা বা বিজিবি মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। নারায়ণগঞ্জে সেনা চাওয়া এবং না পাওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি কথা বলবো। উল্লেখ্য, আগামী ১৪ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত ৫ বছরের মেয়াদ শেষ করবেন। সরকার নারায়ণগঞ্জে সেনা না দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করেছে কি না প্রশ্নে সাখাওয়াত বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞরাই এ বিষয়ে ভাল বলতে পারবেন। সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেতার মন্তব্য প্রসঙ্গে সাখাওয়াত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সম্পর্কে আমার কিছু বলার নেই। তবে বিরোধীদলীয় নেতা ২০০৩ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তখনকার প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাঈদ সাহেবকেও সেনা দেননি। নারায়ণগঞ্জে সেনা চাওয়ার কারণ নিয়ে তিনি বলেন, একজন মেয়র প্রার্থী সেখানকার কয়েকটি ভোটকেন্দ্র দখলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই তালিকা কমিশনের হাতে পৌঁছলে, সর্বোপরি নারায়ণগঞ্জবাসীর দাবির মুখে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে