Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০ , ১৬ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.9/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৫-২৬-২০১৩

কক্সবাজারের ৭৫ গ্রাম প্লাবিত


	কক্সবাজারের ৭৫ গ্রাম প্লাবিত

কক্সবাজার: গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার কারণে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের কারণে কক্সবাজারের উপকূলবর্তী প্রায় ৭৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এরমধ্যে মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের ৩০টি, কুতুবদিয়া উপজেলার ৩০টি এবং টেকনাফে ১৫টি গ্রাম বৃষ্টি এবং জোয়োরের পানিতে প্লাবিত রয়েছে।

একই সঙ্গে পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে জনজীবনে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের উপ-পরিচালক একে নাজমুল হক জানান, শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ৭৩ মিলিমিটার। সঞ্চালনশীল মেঘমালার কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

একই সঙ্গে স্থলভাগে কালবৈশাখী ঝড়েরও পূর্বাভাস দিয়েছে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ধারা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এ দিকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কক্সবাজারের উপকূলবর্তী ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের ৩০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চু।

তিনি জানান, বেড়ি বাঁধ সাগরে সম্পূর্ণ বিলীন হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে জোয়ারের পানি ও বৃষ্টিতে প্লাবিত হচ্ছে পুরো এলাকা।

কুতুবদিয়া উপজেলার ৩০ গ্রাম  প্লাবিত:

কুতুবদিয়ার লেমশীখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকতার হোছাইন জানান, পেয়ারাকাটা এলাকায় দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভাঙা থাকায় পূর্ণিমার জোয়ারের লোনা পানি এবং প্রবল বৃষ্টির ফলে এ এলাকার সাত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী জানান, কুতুবদিয়ার উপকুলের পাউবোর সাত কিলোমিটার বেড়িবাঁধ  ভাঙা এলাকা দিয়ে পূর্ণিমার জোয়ারের লোনা পানি আর টানা দু’দিনের বৃষ্টির পানির ফলে দ্বীপের ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

বাযুবিদ্যুৎ পাইলট প্রকল্প এলাকায় এক কিলোমিটার, ওয়াপদা, আজম কলোনী, মিয়ারঘোনা, মলমচর, পেয়ারাকাটা, ফয়জানিরবাপের পাড়া এলাকায় পাউবো বেড়িবাঁধ মেরামত না করায় পানি গ্রামাঞ্চলে ঢুকে পড়ে।

কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ আহমেদ জানান, প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে পানি পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বরদের ড্রেন কালর্ভাট পরিস্কার ও পাউবোর ৯টি স্লুইস গেট খোলা রাখার জন্য নিদের্শ দেওয়া হয়েছে। বেড়িবাঁধ জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করার জন্য পাউবো কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

টেকনাফের ১৫টি গ্রাম প্লাবিত:

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের চেয়ানম্যান হামিদুর রহমান জানান, বেড়িবাঁধ বিহীন শাহ পরীরদ্বীপের মানুষ জোয়ার এবং বৃষ্টিতে পানিবন্দি আছে ২ বছর ধরে। সামান্য বৃষ্টিতেও এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন জানান, জেলায় ৫১৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ৫ কিলোমিটার সম্পূর্ণ সাগরে বিলীন হয়ে গেছে এবং প্রায় ২০ কিলোমিটার আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত রয়েছে। ফলে এলাকাসমূহ প্লাবিত হচ্ছে।

কক্সবাজার

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে