Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ২৭ মে, ২০২০ , ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (20 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-২২-২০১৯

গারো পাহাড় সংলগ্ন কোচ পল্লীর ঘরে ঘরে ইউএনও

গারো পাহাড় সংলগ্ন কোচ পল্লীর ঘরে ঘরে ইউএনও

শেরপুর, ২২ ডিসেম্বর- ‘পাংআন ঘিসিংসি কষ্টমানতো (প্রচণ্ড শীতে খুব কষ্ট পাইতেছিলাম); গনচে কম্বল মানকে চালিজা সারাংতাৎহা খেংখে টং মান্নাকা (এখন একখান কম্বল পাইয়া শীতের অত্যাচার থাইকা বাঁচতে পারুম); ভগবানযা স্যারনে তেনতানখেন (সৃষ্টিকর্তা স্যারের মঙ্গল করুক)।’

কথাগুলো ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের পাহাড়ি রাংটিয়া গ্রামের কোচআলাইয়ের (৯০)।

শনিবার রাত ৯টার দিকে ইউএনওর দেয়া কম্বল পেয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এভাবেই অনুভূতি ব্যক্ত করেন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠির এ নারী।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত গারো পাহাড় সংলগ্ন রাংটিয়ায় কোচ, হাজং, কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্প প্রতাবনগর গ্রামে গিয়ে ওইখানকার বসবাসরত দেড় শতাধিক দরিদ্র শীতার্তকে কম্বল দিয়ে পরম মমতায় জড়িয়ে ধরলেন ইউএনও রুবেল মাহমুদ।

এ সময় ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ঝিনাইগাতী শাখার সাধারণ সম্পাদক জীবন চক্রবতী, কোচ নেতা শিক্ষক যুগল কিশোর কোচ, শেরপুর ইয়্যুথ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক মনির উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে শতাধিক শীতার্তকে কম্বল দেন ইউএনও।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদ বলেন, এ উপজেলাটি পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে শীতের পরিমাণটা অনেক বেশি। একজন শীতার্ত মানুষকে খুঁজে পেতে হলে রাতের কোনো বিকল্প নেই, তাই রাতেই কম্বল বিতরণের কাজগুলো করার চেষ্টা করছি। দিনে গেলে অফিসে সেবা নিতে আসা লোকজন তাদের প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হতো।

সূত্র : যুগান্তর
এন কে / ২২ ডিসেম্বর

শেরপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে