Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০ , ১৯ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-০১-২০২০

প্রভাবশালীদের স্থাপনা ভাঙছে না প্রশাসন!

প্রভাবশালীদের স্থাপনা ভাঙছে না প্রশাসন!

চুয়াডাঙ্গা, ১ জানুয়ারি- আলমডাঙ্গায় রেলওয়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভেঙে দেওয়ার জন্য বাচাই করা ‘লাল ক্রস’ দেওয়া দু’শ ৫০টি অবৈধ স্থাপনার মধ্যে শুধুমাত্র দরিদ্রদের স্থাপনাগুলো ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য কারও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গার রেলস্টেশন থেকে লাল ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত রেলওয়ে জায়গায় অবৈধভাবে কয়েকশ মানুষ পাকা ও আধা পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে বসবাস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। গত কিছুদিন আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ লিজ গ্রহণসহ বৈধ-অবৈধ স্থাপনার তালিকা প্রকাশ করে। পরে রেলওয়ে পাকশি জোনের পক্ষ থেকে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে ‘লাল ক্রস’ দিয়ে সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য স্টেশন এলাকায় মাইকিং করে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করেও দেওয়া হয়।

এদিকে, ২৯ ডিসেম্বর রবিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়।  বাংলাদেশ রেলওয়ের পাকশি জোনের বিভাগীয় ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুজ্জামান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন, রেলওয়ে পুলিশের এসআই জালাল উদ্দিন ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই জিয়াউর রহমানসহ সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তখন দু’শ ৫০টি অবৈধ চিহ্নিত স্থাপনার মধ্যে রেলস্টেশনের পাশের কয়েকটি দোকান ঘর ভেঙে দেওয়া হয়। পরে লাল ব্রিজ সংলগ্ন পশুহাট এলাকার কয়েকটি দোকান ঘর ভাঙা হয়।

অবৈধ চিহ্নিত স্থাপনার মধ্যে কয়েকটি উচ্ছেদ করার ঘটনাকে সাধারণ মানুষ নেতিবাচকভাবে দেখছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, চিহ্নিত স্থাপনার মধ্যে শুধু দরিদ্রদের ছোট ছোট কিছু স্থাপনাগুলো ভাঙা হয়েছে। প্রভাবশালী ও ধনাঢ্য দখলদারদের কোনো স্থাপনা ভাঙা হয়নি।

ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, অবাক করার বিষয়, রেলওয়ের উচ্ছেদের নামে বাণিজ্য গড়ে তুলেছে তারা। মোটা অংকের টাকা দিলে বৈধ আর দিতে না পারলে অবৈধ। তারা আরো জানান, কুমার নদের মাঝে যারা অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা করছেন সেগুলোও ভাঙা হয়নি। নদী মধ্যে স্থাপনাগুলো কিভাবে বৈধ হয়?

এই বিষয় নিয়ে কথা হয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশি জোনের রেলওয়ে ম্যাজিস্ট্রেট নুরুজ্জামানের সঙ্গে। তিনি জানান, এখানে টাকা-পয়সা বিষয় না, যারা বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছ থেকে জায়গার লিজ নিয়েছে তাদের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। অবৈধভাবে যারা রয়েছে তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা অভিযান অব্যাহত থাকবে। তালিকা অনুযায়ী উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। তিনি বলেন, আলমডাঙ্গায় প্রায় আড়াইশটি স্থাপনাকে অবৈধ দখলের তালিকায় রাখা হয়েছে। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সূত্র: কালের কন্ঠ

আর/০৮১৪/০১ জানুয়ারি

চুয়াডাঙ্গা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে