Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০ , ১৮ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-২৭-২০২০

যেভাবে করবেন পোষা পাখির লাইসেন্স

যেভাবে করবেন পোষা পাখির লাইসেন্স

‘পোষা পাখি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা- ২০২০’ চূড়ান্ত করেছে সরকার। ১৩ জানুয়ারি বিধিমালাটি জারি করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। পোষা পাখি লালন-পালন, খামার স্থাপন, কেনা-বেচা ও আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স না নিলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি পোষা পাখি লালন-পালন, খামার স্থাপন বা আমদানি-রফতানি বা পেট শপ পরিচালনা করে থাকলে তাকে এ বিধিমালা কার্যকর হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স নিতে হবে।

বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে লাইসেন্সের মেয়াদ হবে এক বছর। এক বছর পর লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। লাইসেন্স দেবে প্রধান ওয়ার্ডেন (প্রধান বন সংরক্ষক) বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো কর্মকর্তা।

বিধিমালা অনুযায়ী, পোষা পাখি খামারির ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স নবায়ন ফি লাইসেন্স ফির ২৫ শতাংশ। প্রসেস ফি দুই হাজার টাকা। বছরে পজেশন ফিও দুই হাজার টাকা। পজেশন সনদ নবায়ন ফি পজেশন ফির ২৫ শতাংশ।

পেট শপের ক্ষেত্রে লাইসেন্স ও প্রসেস ফি ৫০০ টাকা। বছরে পজেশন ফি দুই হাজার টাকা।

শৌখিন পোষা পাখি লালন-পালনকারীদের লাইসেন্স নিতে হবে না।

সরকার যেকোনো সময় লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে। কোনো খামারের লাইসেন্স বাতিল হলে তার পজেশন সার্টিফিকেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

নবায়নের জন্য আবেদনপত্র পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ অধঃস্থন কর্মকর্তার মাধ্যমে আবেদনে উল্লেখিত তথ্যের সঠিকতা যাচাই এবং পাখির সংখ্যা অনুযায়ী স্থান, খাঁচার আকৃতি ও লালন-পালনের উপযুক্ত পরিবেশে রয়েছে কি-না, তা সরেজমিন তদন্ত করে লাইসেন্স নবায়ন করবে।

বন অধিদফতরের মাধ্যমে লাইসেন্স গ্রহণের পর এসআইটিইএসভুক্ত বা সাইটেসভুক্ত (বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণীর বাণিজ্য রোধের কনভেনশন-ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইন এনডেনজারড স্পিসিস অব ওয়াইল্ড ফাউনা অ্যান্ড ফ্লোরা) পোষা পাখি রফতানি ও পুনঃরফতানির আগে খামারিকে অবশ্যই সাইটেস সদর দফতর থেকে খামার রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে।

লাইসেন্স পাওয়ার পর কোনো খামারি পজেশন সার্টিফিকেট (পোষা পাখির মালিকানা-সংক্রান্ত সনদ) ছাড়া কোনো পাখি নিজ মালিকানায় বা দখলে রাখতে পারবে না। পজেশন সার্টিফিকেটের জন্য প্রতিটি পাখির জন্য নির্ধারিত বার্ষিক ফি দিতে হবে। এক বছরের জন্য পজেশন সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে। খামারির বিক্রয় রশিদে হালনাগাদ পজেশন সার্টিফিকেটের নম্বর থাকতে হবে। পজেশন সার্টিফিকেটও প্রতি বছর নবায়ন করতে হবে বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পোষা পাখি রফতানির ক্ষেত্রে সাইটেস পারমিট গ্রহণ করতে হবে। সাইটেস অ্যাপেন্ডিক্স (বিলুপ্তপ্রায় নয় এমন পাখি) বহির্ভূত পোষা পাখি আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে খামারি বা আমদানিকারককে বন অধিদফতরের অনাপত্তিপত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান ওয়ার্ডেনের অনুমোদন নিয়ে রাজস্ব ও ভ্যাট আদায় করে অতিরিক্ত ওয়ার্ডেন অনাপত্তিপত্র জারি করবেন।

পোষা পাখি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাধ্যমে আমদানি বা রফতানি করতে হবে। আমদানি করা সব পাখির রিং নম্বর দিয়ে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অবহিত করতে হবে।

প্রত্যেক খামারিকে পোষা পাখির সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধি ও আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত একটি রেজিস্টার সংরক্ষণ করতে হবে। প্রত্যেক পেট শপ পরিচালনাকারীকে পোষা প্রাণী ক্রয়-বিক্রয় ও জন্মগ্রহণ করা পাখির বাচ্চার হিসাব একটি রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। রেজিস্টারের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডেন অফিসে পরবর্তী বছরের জানুয়ারি মাসের মধ্যে পাঠাতে হবে।

সুত্র : যুগান্তর
এন এ/ ২৭ জানুয়ারী

জানা-অজানা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে