Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০ , ২৩ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০১-৩০-২০২০

শিশুটিকে বুকে জড়িয়ে ডিসি বললেন আমার সন্তান

শিশুটিকে বুকে জড়িয়ে ডিসি বললেন আমার সন্তান

কিশোরগঞ্জ, ৩১ জানুয়ারি- ভৈরবে ভিক্ষুকের কোলে ফেলে যাওয়া তিনদিনের শিশুটিকে আদালতের আদেশে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরী দত্তক নিয়েছেন। ডিসির স্ত্রী সুমনা আনোয়ার শিশুটিকে কোলে তুলে বুকে জড়িয়ে নেন।

শিশুটিকে বুকে নিয়েই সুমনা আনোয়ার বলেন, আজ থেকে শিশুটি আমার ছোট সন্তান। সন্তান কোলে নিলে সব মায়েরই মন ভরে যায়। সবাই দোয়া করবেন শিশুটিকে যেন লালন-পালন করে মানুষের মতো মানুষ করতে পারি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুবনা ফারজানা আদালতের আদেশ অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুটিকে ডিসি সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরী ও তার স্ত্রী সুমনা আনোয়ারের কোলে তুলে নেন।

শিশুটিকে দত্তক নেয়ার অনুভূতি জানিয়ে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, আমার এক মেয়ে সন্তান আছে। আজ থেকে এই শিশু আমার দ্বিতীয় সন্তান। নিজের সন্তানকে কাছে পেয়ে ভালো লাগছে। তাকে আমার সন্তানের মতো সারাজীবন বুকে আগলে রাখব। সবাই দোয়া করবেন শিশুটিকে যেন আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখেন।

শিশুটি হস্তান্তরের সময় ডিসির দুই বছর বয়সী মেয়ে সামিহা চৌধুরী খুব উচ্ছ্বসিত ছিল। তার মা সুমনা আনোয়ার এ সময় বলছিলেন এটা তোমার ছোট বোন।

গত ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার এক নারী ভৈরবে বাস থেকে নেমে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক ভিক্ষুকের কোলে শিশুটি রেখে টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে পালিয়ে যায়। ওই ভিক্ষুক এক ঘণ্টা পর স্থানীয় এক যুবক আশরাফুলকে ঘটনাটি জানান। পরে তিনি ঘটনাটি ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানাকে জানান।

এরপর ইউএনওর নির্দেশে আশরাফুল ওই দিন রাত ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. বুলবুল আহমেদের কাছে শিশুটি রেখে আসেন। এরপর ইউএনওর নির্দেশে শুক্রবার রাতেই এ ব্যাপারে থানায় একটি জিডি করে পুলিশ।

গত রোববার ইউএনও লুবনা ফারজানার নির্দেশে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কিশোরগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে শিশুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে একটি আবেদন করেন। আদালতের বিচারক রফিকুল বারী রোববার কোনো আদেশ দেননি।

এরই মধ্যে শিশুটি দত্তক নিতে ইউএনও এবং হাসপাতালের ডাক্তারের কাছে কমপক্ষে ২০ জন আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান ইউএনও। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক সোমবার শিশুটিকে দত্তক নিতে আবেদন করেন। ওই দিন বিকেলে শিশুটিকে ডিসির কাছে দত্তক দেয়ার আদেশ বিচারক।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/৩১ জানুয়ারি

কিশোরগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে