Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ৩ জুন, ২০২০ , ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-১০-২০২০

স্বেচ্ছায় ঋণখেলাপিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে বয়কটের উদ্যোগ

স্বেচ্ছায় ঋণখেলাপিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে বয়কটের উদ্যোগ

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি - ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের নামে কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। তাদের বিরদ্ধে ফৌজধারী মামলা দায়ের করতে পারবে ব্যাংক। এ ছাড়া স্বেচ্ছায় ঋণখেলাপিদের বিজনেস ক্লাসে বিদেশ ভ্রমণ, গাড়ি-বাড়ি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু, নতুন কোম্পানি নিবন্ধনে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

এসব বিধান যুক্ত করে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করতে যাচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। নতুন আইনের খসড়াটি সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ওয়েবসাইটে দিয়ে ২১ দিনের মধ্যে মতামত চেয়েছে বিভাগটি।

খসড়ায় ৫০টিরও বেশি ধারা-উপধারা সংযোজন, পরিমার্জন ও সংযোজন করা হয়েছে। আগামী ২১ দিন এই খসড়ার ওপর মতামত সংগ্রহ করে তা চূড়ান্ত করবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

গতমাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইনের খসড়ায় ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইনে তাদের বিদেশ যাত্রার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। শুধু তারা বিজনেস ক্লাসে ভ্রমণ করতে পারবেন না বলে উল্লেখ আছে।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপি চিহ্নিত করতে দু’টি কমিটি কাজ করবে। আর ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ গ্রহীতাদের ছবিসহ নামের তালিকা ব্যাংকগুলো নিজেদের ওয়েবসাইটে ও সংবাদপত্রে প্রকাশ করবে।

খসড়া আইনে ব্যাংক আমানতকারীদের স্বার্থরক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজন মনে করলে কোনো ব্যাংকের ব্যবসা স্থগিত করা, মুনাফা বিতরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে। তারপরও কোনো ব্যাংক দুর্বল হয়ে গেলে কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে কেন্দ্রীয় ওই ব্যাংক অবসায়ন, একীভূতকরণ করতে পারবে।

নতুন সংযোজিত এ সংক্রান্ত ধারায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাইলে কোনো ব্যাংকের ব্যবসা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা, ব্যাংক পুনঃগঠন, অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একত্রিকরণ, ব্যাংকের সম্পদ বিক্রি ও অবসায়ন করতে পারবে। চাইলে কোনো ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলও করতে পারবে। ব্যাংকের জন্য ক্ষতিকর কোনো পরিচালক অপসারণ করে তার শেয়ার বাজেয়াপ্ত করে বিক্রয় বা হস্তান্তর করতে পারবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার যদি মনে করে যে, কোনো ব্যাংক সঠিকভাবে পরিচালিত হতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং তাতে আমানতকারীদের ক্ষতি হতে পারে। তখন সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অধিগ্রহণ করতে পারবে।

ব্যাংকের সাবসিডিয়ারির ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে নতুন সংযোজিতা ধারায় ২৬ (ঙ) বলা হয়েছে, সাবসিডিয়ারি কোম্পানির পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও তার অধ্বঃস্তন দুই স্তর পর্যন্ত কর্মকর্তার যোগ্যতা ও উপযুক্ততার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা দিতে পারবে। কোনো সাবসিড়িয়ারি কোম্পানির পরিচালক বা উপরের দুইস্তর পর্যন্ত কর্মকর্তাদের কেউ ব্যাংকের জন্য ক্ষতিকর মনে হলে তাদের পদ থেকে অপসারণ করতে পারবে।

খেলাপি ঋণ ও ঋণ জালিয়াতির মামলা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার সম্পন্ন করার কথাও বলা আছে খসড়া আইনে। এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, হাইকোর্ট বিভাগ কোনো সাক্ষীকে সমন না দিতেও পারে যদি উহার বিবেচনায় তাহার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ না হয়। ন্যায় বিচারের প্রয়োজনীয় মনে না করিলে মামলার কার্যধারা মুলতবি করিতে বাধ্য থাকিবে না। প্রয়োজনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্যে জেরা করা যাবে।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ১১ ফেব্রুয়ারি

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে