Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ , ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০২-১১-২০২০

জাইমার চিকিৎসায় ৩ লাখ টাকা দিলেন লঞ্চ মালিক

জাইমার চিকিৎসায় ৩ লাখ টাকা দিলেন লঞ্চ মালিক

ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি - লঞ্চের ধাক্কায় পায়ের পাতা কাটা পড়া শিশু জাইমা নেওয়াজের চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিন লাখ টাকা (পে-অর্ডার) দিয়েছেন এমভি ইয়াদ লঞ্চের মালিক মামুন অর রশিদ।

মঙ্গলবার দুপক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতিতে শিশু জাইমা নেওয়াজের বাবার কাছে এ পে-অর্ডার হস্তান্তর করা হয়।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং শিশুটির বাবার করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২৭ অক্টোবর শিশু জাইমার চিকিৎসার জন্য ১৫ দিনের মধ্যে তিন লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। একই সঙ্গে চিকিৎসাসহ তার পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

আদালতে আজ রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আনিসুল হাসান ও শাহীনুজ্জামান শাহীন। পরে শাহীনুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, এ আদেশের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে আবেদন করে বিফল হন। এমনকি আপিল বিভাগের পর তারা আবার হাইকোর্টেও আবেদন করেছিলেন। এরপর আজকে তারা (লঞ্চ মালিক) তিন লাখ টাকার পে-অর্ডার দেন।

এদিকে লঞ্চ মালিকের আইনজীবী এম মিজানুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক শিশুর বাবার হাতে তিন লাখ টাকার পে-অর্ডার তুলে দেয়া হয়েছে।

একটি জাতীয় দৈনিকে ‘পালিয়ে বেড়াচ্ছে লঞ্চ দুর্ঘটনায় পা হারানো শিশু জাইমার পরিবার’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে ২০১৯ সালে রিটটি করা হয়।

রিটের বিবাদীরা হলেন- নৌপরিবহন সচিব, বাংলাদেশ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান, নৌ অধিদফতরের মহাপরিচালক, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, লঞ্চের মালিক মামুন অর রশিদ, প্রথম শ্রেণির মাস্টার আব্দুর রউফ, দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার নাসির উদ্দিন গাজী, দ্বিতীয় শ্রেণির চালক মো.স্বপন, তৃতীয় শ্রেণির চালক মো.ফারুক হোসেন ও ম্যানেজার মনিরুজ্জামান।

সংযুক্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর ছয় বছরের শিশুকন্যা জাইমা নেওয়াজ জিসা, বাবা জামাল গাজী, মা নাজমুন নাহার ও ছেলে খাঁজা গরীবে নেওয়াজকে নিয়ে ঢাকা থেকে আমতলীতে আসার উদ্দেশ্যে ফতুল্লা লঞ্চঘাটে আসেন। এমভি ইয়াদ লঞ্চটি ফতুল্লা ঘাটে এসে সজোরে ধাক্কা দেয়।

এতে শিশু জাইমা ছিটকে গিয়ে লঞ্চ ও লঞ্চঘাটের মাঝখানে ডান পা আটকে যায়। শিশু জাইমার ওই পায়ের পাতার সম্মুখভাগ বিছিন্ন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক শিশু জাইমাকে উদ্ধার করে ঢাকা জেনারেল অ্যান্ড অর্থোপেটিক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই হাসপাতালে ২১ দিন চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে সে। এ ঘটনায় শিশু জাইমার বাবা জামাল গাজী বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি লঞ্চ মালিক মামুন অর রশিদসহ ৬ জনকে আসামি করে দক্ষিণ কোরানীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

এদিকে মামলা দায়ের পর থেকে শিশুর বাবা জামাল গাজীকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য লঞ্চ মালিক ও তার লোকজন জীবন নাশের হুমকি, বাচ্চা অপহরণ ও এসিড ছুড়ে সপরিবার মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। তাদের ভয়ে পালিয়ে বেড়ান শিশুর পরিবার। এ ঘটনায় আমতলী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সরোয়ার হোসেনের আদালতে শিশুর মা নাজমুন নাহার বাদী হয়ে মামলা করেন।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ১২ ফেব্রুয়ারি

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে