Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২০ , ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.9/5 (39 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২৪-২০২০

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কূটনৈতিক দর্শন

ড. আব্দুল মোমেন


বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কূটনৈতিক দর্শন

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এ বাঙালি শুধু একজন মানুষই নন; একটি চেতনা, একটি অধ্যায়। তিনি এদেশের গণমানুষের মুক্তির উপলক্ষ। এই জনপদের বহু দিনের লালিত স্বপ্ন স্বাধীনতার রূপকার। তাঁর হাত ধরেই লাল-সবুজের একটি স্বাধীন পতাকার অধিকার পায় এই বঙ্গভূমি। পাকিস্তানি শাসক-শোষকদের কূটকৌশল ছিন্ন করে তার দূরদর্শী রাজনীতি ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের বলেই ১৯৭১ সালে বিশ্বের মানচিত্রে অঙ্কিত হয় আমাদের এই প্রাণের বাংলাদেশ। স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই তিনি এদেশের মাটি ও মানুষকে পুঁজি করে সবার জন্য শান্তির দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন। 

সেই অঙ্গীকারের প্রতিফল আমরা দেখতে পাই ২৬ মার্চ ১৯৭২-এ স্বাধীনতার প্রথম বর্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া তাঁর ভাষণে। বরাবরের সেই তেজোদীপ্ত বলিষ্ঠ কণ্ঠে তিনি উচ্চারণ করেন, 'আমি ভবিষ্যৎ বংশধরদের সুখী ও উন্নত জীবন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।' সেই প্রতিশ্রুতি তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন তাঁর জীবদ্দশার প্রতিটি মুহূর্তে। সুখী-সমৃদ্ধ যে বাংলাদেশ আজকে গোটা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের বিস্ময়, এর মূল ভিত্তি রচনা করে গেছেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু। স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে তিনি ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি দেশের অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, একটি আদর্শ সংবিধান রচনা, প্রথম পঞ্চবার্ষিকী প্রণয়ন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ইউজিসিসহ নানা প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো গড়ে তুলেছেন নিখুঁত দক্ষতায়।
দেশের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আদায়; জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ ছিল বঙ্গবন্ধুর সরকারের উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য। 

স্বাধীনতা লাভের অল্পদিনের মধ্যেই দেশ পুনর্গঠনে বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ, দেশবাসীকে এ কাজে উজ্জীবিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর নেওয়া পদক্ষেপগুলো আশাতীত সাফল্য অর্জন করে। পাকিস্তানের কারাগার থেকে ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি রাতে মুক্ত হয়ে বিশেষ বিমানে পরদিন ভোরে লন্ডনে পৌঁছেন বঙ্গবন্ধু। ৮ তারিখ সন্ধ্যায় তিনি বৈঠক করলেন তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে। লন্ডন থেকে দেশে ফিরলেন দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি। দিল্লিতে স্বল্পকালীন যাত্রাবিরতির সময় বঙ্গবন্ধুকে উষ্ণ সংবর্ধনা দেয় ভারত সরকার। 

সেদিনের সেই ঐতিহাসিক সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীসহ মন্ত্রিপরিষদের অনেক সদস্য ও লাখো ভারতবাসী। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই তিনি ঘোষণা করেন- 'আমরা একটি ছোট রাষ্ট্র, আমাদের সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব হবে এবং কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়।' তাঁর এই ঘোষণাতেই বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী কূটনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচয় মেলে। তিনি খুব ভালো করেই বুঝেছিলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতির এই দেশটি নিয়ে সবার সহযোগিতা ছাড়া অগ্রসর হওয়া সম্ভব নয়। সে জন্যই তিনি সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের ওপর জোর দিয়েছিলেন।

একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন নির্ভর করে দেশটির নেতৃত্বের রাজনৈতিক দর্শন ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে ওই দেশের সম্পর্কের সমীকরণের ওপর। সফলতার জন্য শুধু শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করলেই চলবে না; এর সফল বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী নেতৃত্ব থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন শক্তিশালী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তাঁর দেওয়া পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শনই হলো, 'সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়' এবং বন্ধুত্বপূর্ণ ও জোটনিরপেক্ষ অবস্থান। এই কূটনৈতিক দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই আজকের বাংলাদেশ বিশ্ব সমাজের সঙ্গে দূঢ়তর সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বের প্রায় সব রাষ্ট্রের সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। 

এর ভিত্তিও রচনা করে গেছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য 'জাতির পিতা' হিসেবে যা যা করার তিনি তাই করে গেছেন। মাত্র দুই মাসের মাথায় বিদেশি সৈন্য ফেরত যাওয়া তার কারণেই সম্ভব হয়। দেশের জন্য মাত্র ১০ মাসের মধ্যে তিনি একটি অপূর্ব শাসনতন্ত্র দিয়ে যান। তাঁর কূটনৈতিক দর্শন ছিল অত্যন্ত তীক্ষষ্ট ও প্রখর। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই বঙ্গবন্ধু ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন ফর্মুলা নির্ধারণে জোরদার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ থেকে অধিক পানিপ্রাপ্তি, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, ভর্তুকি দিয়ে অধিক হারে উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশকের ব্যবহার, অতিরিক্ত খাস জমিপ্রাপ্তি ২৫ বিঘা জমির ওপর দেয় কর মাপ এবং মূল্য সমর্থনমূলক সচেতন ও কৃষকবান্ধব নীতির ফলে কৃষিক্ষেত্রে অগ্রগতির যে ধারা সূচিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর সময়ে, তার ফলস্বরূপ আজও এদেশে কৃষিক্ষেত্রে শক্তিশালী ধারা বজায় রয়েছে। 

তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই ধারাকে আরও বেগবান করেছেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের সফল কূটনৈতিক পদচারণা ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের ক্যারিশমায় স্বাধীনতার মাত্র এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে আইএমএফ, আইএলও, আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়ন, ইউনেস্কো, কলম্বো প্ল্যান ও গ্যাটের সদস্যপদ লাভ করতে সক্ষম হয়। একই বছরের ৮ আগস্ট বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে আবেদন পাঠায়। দুই দিন পর বঙ্গবন্ধু নিরাপত্তা পরিষদের সব সদস্যকে বাংলাদেশকে সমর্থনের জন্য অনুরোধ করে বিশেষ পত্র লেখেন। ২৩ আগস্ট যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া এক মিলিত প্রস্তাবে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্তির জন্য নিরাপত্তা পরিষদকে জোরালো সুপারিশ করে। ওই প্রস্তাবে চীনের ভেটো প্রদান সত্ত্বেও ৩০ নভেম্বর ১৯৭২ সাধারণ পরিষদ প্রস্তাবটি সুপারিশ করে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরে বালাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম স্বাধীন দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে পরিচিতি পায় বিশ্বজুড়ে।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে মর্মান্তিকভাবে নিহত হওয়ার আগের পুরোটা সময় তিনি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বিশ্বজুড়ে। নিজে যেমন বাংলাদেশের উন্নয়নের মিশন নিয়ে ভ্রমণ করেছেন বিভিন্ন দেশ, তেমন বাংলাদেশেও এসেছেন বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট, সরকারপ্রধান। ১৯৭৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ মহাসচিব ড. কুর্ট ওয়াল্ডহেইম গণভবনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করন। যুগোস্লাভিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসেন ২৫ মার্চ। বঙ্গবন্ধু ২৬-৩১ জুলাই প্রেসিডেন্ট জোসেফ ব্রোজ টিটোর আমন্ত্রণে যুগোস্লাভিয়া সফর করেন। সফরকালে প্রেসিডেন্ট টিটো ন্যাম ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের ব্যাপারে পূর্ণ সমর্থন জানান। বঙ্গবন্ধু অটোয়ায় ২-১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে যোগদান উপলক্ষে কানাডা সফর করেন। তিনি ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন। ওই সময় তিনি বাদশাহ ফয়সাল, প্রেসিডেন্ট টিটো, প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত, প্রেসিডেন্ট ইদি আমিন, প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফি প্রমুখ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। 

১৮ অক্টোম্বর সাত দিনের এক সফরে টোকিও গমন করেন বঙ্গবন্ধু। ওই বছরে তিনি স্বল্প সময়ের জন্য মালয়েশিয়া সফরেও গিয়েছিলেন। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রনায়ক তুন আব্দুর রহমান তাঁকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেন। ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে এক সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতিকালে আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ারি বুমেদিন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরে আসেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ইউ নে উইন। ১২ মে পাঁচ দিনের সফরে বঙ্গবন্ধু ভারত যান। ওই সময় দুই দেশের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেনেগালের প্রেসিডেন্ট লিওপোল্ড সেংঘর ২৬-২৯ মে বাংলাদেশ সফর করেন। ১ জুন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি পাঁচ দিনের সফরে ঢাকা আসেন ১৫ জুন। ওই মাসেই বাংলাদেশ সফর করেন পকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন হু থু ঢাকায় এক সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেন। এর সবই ছিল বঙ্গবন্ধু সরকারের কূটনৈতিক মিশনের ফল।

১৯৭৪ সালের মে মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের তিন দিনের এশিয়া কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধুকে শান্তির জন্য 'জুলিও কুরি' স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়। সদ্য স্বাধীনতা অর্জন করা একটি দেশের সরকারপ্রধানের এ পুরস্কার অর্জন নিঃসন্দেহে বিরাট ব্যাপার। বঙ্গবন্ধুর সময়েই ১০ জুলাই পাকিস্তানের পার্লামেন্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একটি প্রস্তাব পাস করে। এই সেই পাকিস্তান, যারা এদেশের ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করে রক্তের হোলিখেলায় মত্ত হয়েছিল '৭১-এ। তারাই বৈশ্বিক চাপে পড়ে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করে সে দেশের সংসদে। এসবই সম্ভব করেছিলেন বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবদ্দশায়। তিনি জীবিত থাকতেই সৌদি আরব, সুদান, ওমান ও চীন ছাড়া বিশ্বের সব রাষ্ট্রই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। 

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে, দূরদর্শিতা ও বিশ্বনেতাদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিল এসব অর্জনে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাঁর মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে অর্জন, পদচারণা; যে দীপ্ত পদভার তিনি রেখে গেছেন, তা সবই স্বর্ণাক্ষরে লিখিত বাঙালি জাতির ইতিহাসে। তাঁর প্রণীত পররাষ্ট্রনীতি আজও এদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক নিরূপণের আলোকবর্তিকা। জাতিসংঘে তিনিই 'বাংলা ভাষা'য় বক্তৃতা করেন এবং তাঁর বক্তৃতায় যে ২৫টি বিষয় তিনি তুলে ধরেন, সেগুলো আজও বিশ্বের বিবেচ্য বিষয়। তাঁর দেখানো মতবাদের ওপর ভিত্তি করেই উন্নয়নের পথে এদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য আত্মজা, বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বলকারী এদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই তাঁর জয়যাত্রা ও সফলতা।

লেখক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

আর/০৮:১৪/২৪ মার্চ

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে