Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০ , ১৮ চৈত্র ১৪২৬

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-২৬-২০২০

করোনা মোকাবিলায় কেজরিওয়ালের উদাহরণ টেনে মমতাকে আক্রমণ বাবুলের

করোনা মোকাবিলায় কেজরিওয়ালের উদাহরণ টেনে মমতাকে আক্রমণ বাবুলের

কলকাতা, ২৬ মার্চ - করোনা সংকটে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিজের সিদ্ধান্ত বদলাতে পারলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন সিদ্ধান্ত বদলাতে পারছেন না। আয়ুষ্মান ভারত চালু করা নিয়ে এভাবেই মমতাকে বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অরবিন্দ কেজরিওয়ালও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে শামিল হতে অস্বীকার করেছিলেন। ফলে বাংলার মত দিল্লিতেও আয়ুষ্মান ভারত চালু হয়নি। কিন্তু করোনা সঙ্কটের মধ্যে দাঁড়িয়ে কেজরিওয়াল তাঁর সিদ্ধান্ত বদলেছেন। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে দিল্লির সরকারকে শামিল করেছেন তিনি। আর তার পরেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে বিজেপি। করোনার চিকিৎসাকে যখন কেন্দ্রীয় সরকার আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করে দিচ্ছে, তখনও ওই প্রকল্পে অংশ কেন নিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ? টুইট করে এই প্রশ্ন তুললেন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর সুরে সুর মিলিয়েছেন আরেক বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও।

এ দিন দুপুর ১টা ১২ নাগাদ টুইট করেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি লেখেন, ‘‘স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আপৎকালীন অবস্থা। সময় একটুও নষ্ট না করে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচিত রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হতে দেওয়া।’’

স্বপন দাশগুপ্ত আরও লিখেছেন, ‘‘ব্যক্তিগত দম্ভ দেখিয়ে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইকে ধ্বংস করার সময় এটা নয়।’’

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমার সংস্থান রয়েছে। আর রাজ্যের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে রয়েছে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচের সংস্থান। কিন্তু কেন্দ্রীয় প্রকল্পটিতে পুরো টাকাটা কেন্দ্রীয় সরকার দেয় না। একটা অংশ কেন্দ্র দেয়, বাকিটা সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারকে দিতে হয়। সেখানেই আপত্তি জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, রাজ্য সরকারকেই যদি খরচের একটা মোটা অংশ দিতে হয়, তা হলে রাজ্য সরকার নিজের প্রকল্পই চালাবে, কেন্দ্রের স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে অংশ নেবে না।

সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকার যেহেতু নিজেই ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্প চালাচ্ছে, সেহেতু কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আর প্রয়োজন নেই। বিজেপি সাংসদদের বক্তব্য, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অবিলম্বে বাংলার যোগদানের প্রয়োজন আছে।

সুত্র : কলকাতা ২৪x৭
এন এ/ ২৬ মার্চ

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে