Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০ , ২১ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-১২-২০২০

পুলিশ-ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে হলেও নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করুন : মাশরাফি

পুলিশ-ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে হলেও নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করুন : মাশরাফি

নড়াইল, ১৩ এপ্রিল- করোনাভাইরাসের কারণে গৃহবন্দী সারাবিশ্ব। আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক লকডাউনে রয়েছে পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। এরই মধ্যে ১৬টি জেলা পুরোপুরি লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। আংশিক লকডাউনে রয়েছে আরও ১৬টি জায়গা।

সারাদেশের মানুষ লকডাউনের কারণে ঘরে থাকলেও, একই কারণে সার্বক্ষণিক বাইরেই থাকতে হচ্ছে জরুরি সেবায় নিয়োজিত মানুষদের। যাদের কাজই এখন মানুষের সবধরনের সুবিধাদির দিকে নজর রাখা। কোথাও যেন কেউ সমস্যায় না পড়ে- তা নিশ্চিত করা।

হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার জন্য ডাক্তাররা, মানুষের নিরাপত্তা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণে পুলিশ তথা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা, জরুরি আর্থিক সেবায় ব্যাংকাররা, অভাবী মানুষদের সাহায্য পৌঁছে দেয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবকরাসহ আরও অনেক সেক্টরের মানুষরাই নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে।

তাদের এই আত্মত্যাগ হৃদয় ছুঁয়ে গেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য (নড়াইল-২) মাশরাফি বিন মর্তুজার। নিজের বাসার সামনে টহল দিতে দিতে হঠাৎ করেই ক্লান্তি চেপে বসা এক পুলিশ সদস্যের দিকে চোখ পড়ে মাশরাফির। তা দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন মাশরাফি।

সেই ছবি তুলে ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘করোনা ভাইরাস দেশে আঘাত আনার সাথে সাথে তাদের (পুলিশ) কাজ যেন বেড়ে গেছে অনেক বেশি। দিন রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছে। কোন প্রকার অভিযোগ ছাড়া। হ্যাঁ কথা বলছি আমাদের পুলিশ ভাইদের। তারা সত্যই অনেক অক্লান্ত পরিশ্রম করছে, শুধু মাত্র আমাদেরকে করোনা নামক মহামারী থেকে সুরক্ষা রাখতে।’

এতকিছুর পরেও অনেকেই লকডাউন অমান্য করে বাইরে বের হয়ে যান। কয়েক জায়গায় বাইরে বের হতে বাধা দেয়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সেসব মানুষদের উদ্দেশ্যে মাশরাফি অনুরোধ করেছেন, যেন এসব আত্মত্যাগী পুলিশ-ডাক্তারদের দিকে তাকিয়ে হলেও সবাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করেন।

মাশরাফি লিখেছেন, ‘সারাটা দিন আমাদের পিছনে ছুটতে ছুটতে যখন শরীরটা আর সায় দেয়না তখন মশার কামড়, গরম সবকিছুর কাছে হয়তো হার মেনে যায়।কোনরকম একটা বসার কিছু পেলে শরীরটা ১৫-৩০ মিনিটের জন্য ছেড়ে দেয়, কারণ তারপর যে আবার যেতে হবে টহলে।’

‘সবাইকে সর্তক করতে গিয়ে তারা ভুলেই যায় যে তাদেরও একটা বাসা আছে, পরিবার আছে। আমরা কি পারি না এই পুলিশ, ডাক্তারদের দিকে তাকিয়ে হলেও নিজেদের একটু নিয়ন্ত্রিত করতে। আমরা যদি শুধু আমাদের কথা চিন্তা করে বাসায় থাকতাম তাহলে হয়তো এই মানুষগুলোর এতোটা কষ্ট হতো না।’

এসব মানুষদের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করে তিনি আরও লিখেছেন, ‘মহান আল্লাহ্ তাআলার কাছে দোয়া করি যেন এই মানুষগুলো ভাল থাকে। সবাই ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন, অন্যকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করুন।’

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৩ এপ্রিল

নড়াইল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে