Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০ , ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.2/5 (42 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১২-১১-২০১৩

কক্সবাজারে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ


	কক্সবাজারে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ

কক্সবাজার, ১১ ডিসেম্বর- কক্সবাজারে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে পুলিশ-বিজিবি সদস্যদের বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় পুলিশ সদস্যসহ ১০ জন আহত হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত শহরের প্রধান সড়কের বাজারঘাটা এলাকায় একদিকে পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্য, অপরদিকে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা অবস্থান নিয়ে ছিল।

এ সময় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা নানা রকম স্লোগান দিলেও দুপুর দেড়টার পর থেকে কোনো অপ্রীতিকার ঘটনা ঘটেনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা থেকে কক্সবাজার শহরের বাজারঘাটা, টেকপাড়া, ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন প্রধান সড়কের মাঝখানে অবস্থান নেয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। ফলে ওইসব এলাকায় সব ধরনের যানবাহন চলাচল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

বেলা ১১টার পর ওই স্থানে পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় শিবির কর্মীরা। এ সময় পুলিশ ফাঁকা গুলি করলে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এ সময় ব্যাপক গুলিবর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পরে পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় র‍্যাব ও বিজিবি সদস্যারা। সেখানে দফায় দফায় দেড়টা পর্যন্ত চলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া।

জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা প্রধান সড়কের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্যকে লক্ষ্য করে ককটেল, ইটপাটকেল এবং গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও ফাঁকা গুলি করে।

এ সময় কক্সবাজার শহরের বাজারঘাটায় অবস্থিত ইউনাইডেট কমাসিয়াল ব্যাংক, এবি ব্যাংকসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর চালায় জামায়াত-শিবির কর্মীরা।

সংঘর্ষে ইটের আঘাতে কক্সবাজার সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান ও এক কনস্টেবল এবং ৮ পথচারী আহত হয়। পুলিশের সদস্যদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরে দুপুর দেড়টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও প্রধান সড়কের বাজারঘাটা এলাকায় অবস্থান নেয় জামায়াত-শিবির। সামান্য দূরে মুখোমুখি অবস্থান নেয় পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্যরা।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশসহ কয়েকজন আহত হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ জানিয়েছেন, সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় জেলাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কক্সবাজার

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে