Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০ , ১৯ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৪-২০২০

চাঁদরাতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন জটিলতা, বিপাকে গ্রাহক

চাঁদরাতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন জটিলতা, বিপাকে গ্রাহক

ঢাকা, ২৪ মে- করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। যার কারণে এবার অনেকেই ঈদ করতে গ্রামে যেতে পারছেন না। তবে পরিবারের ঈদের খরচ তো পাঠাতে হবে, যার একমাত্র ভরসা মোবাইল ব্যাংকিং। কিন্তু লেনদেন জটিলতার কারণে টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে ঈদের আগের দিন চাঁদ রাতে গ্রামে থাকা প্রিয়জনদের টাকা পাঠাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে গ্রাহক।

রোববার সন্ধ্যার পর থেকেই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদানকারী বিকাশ, রকেটসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ দেখা যায়।

এ বিষয়ে রাজধানীর মুগদা এলাকার সাজ্জাদ হোসেন নামের বিকাশের এক এজেন্ট জানান, ইফতারের পর থেকে বিকাশে কোনো টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। অনেকেই এসে ঘুরে যাচ্ছেন। বিকাশের অ্যাপে ঢোকা যাচ্ছে না। বেশ কয়েকদিন ধরেই সন্ধ্যার পর এই অবস্থা হচ্ছে।

এ‌দিকে বিকাশে টাকা পাঠ‌াতে এ‌সে এক কারখানার কর্মী জানান, একটি বেকারিতে কাজ করি। মালিক আজকে বিকেলে টাকা দিয়েছেন। পরিবহন বন্ধ থাকায় এবার ঈদ করতে গ্রামে যেতে পারলাম না। গ্রামের বাড়িতে বউ-বাচ্চা রয়েছে তাদের খরচ পাঠাতে হবে। সন্ধ্যার পর চেষ্টা করছি, কিন্তু পারছি না। খরচ না পাঠাতে পারলে তারা ঈদ করবে কীভাবে বলে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমএফএস সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশের হেড অফ করপোরেট কমিউনিকেশন অ্যান্ড পিআর শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম এ প্রতিবেদককে বলেন, ঈদের আগের দিন আজকে অনেকেই টাকা পাঠাচ্ছে একসঙ্গে অনেক গাহক অ্যাপের ঢোকার কারণে নেটওয়ার্ক সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া অনেকে একসঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করায় গতি কমে যায়। এ কারণে হয়তো একটু সমস্যা হতে পারে। তবে এটা সাময়িক কয়েকবার চেষ্টা করলে অবশ্যই অ্যাপে ঢোকা যাবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, সবকিছু বন্ধ। এখন মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের লেনদেনের একমাত্র ভরসা। আমাদের প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা লেনদেন হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি গ্রাহককে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করতে।

জানা গেছে, করোনা মহামারির এই সময়ে অর্থ লেনদেনের প্রধান ভরসা মোবাইল ব্যাংকিং। মানুষ বিশেষ প্রয়োজনে লেনদেনের কাজ সম্পন্ন করছে মোবাইলে। তাৎক্ষণিকভা‌বে দ্রুত শহর কিংবা গ্রামে, গ্রাম থেকে শহর সর্বত্রই টাকা পাঠানোর সুবিধার কারণে দেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

এদিকে করোনাভাইরাসের এ দুর্যোগের সময়ে গ্রাহকের কাছে মোবাইলের লেনদেন আরও জনপ্রিয় করতে বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও ওষুধ ক্রয়ের কোনো ধরনের চার্জ না কাটার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ব্যক্তি হতে ব্যক্তি (পি টু পি) লেনদেনে (যেকোনো চ্যানেলে) এ নির্দেশনা মানতে হবে। একই সঙ্গে লেনদেন সীমা ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া দৈনিক এক হাজার টাকা ক্যাশ আউট সম্পূর্ণ চার্জবিহীন রাখতে বলা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) সর্বশেষ তথ্য বলছে, ফেব্রুয়ারিতে বেসরকারি এনসিসি ব্যাংক তাদের এমএফএস সেবা বন্ধ করেছে। ফলে বর্তমানে দেশে মোট ১৫টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে জড়িত আছে।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/২৪ মে

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে