Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০ , ২৫ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৫-২৫-২০২০

৫ দিন বিদ্যুৎ না থাকায় ফোনের ব্যাটারি চার্জ দিতে লাইন

৫ দিন বিদ্যুৎ না থাকায় ফোনের ব্যাটারি চার্জ দিতে লাইন

যশোর, ২৬ মে - সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তাণ্ডবে এখনও বিদ্যুৎবিহীন যশোরের বেনাপোল বন্দর ও শার্শা উপজেলা। তাই বাধ্য হয়ে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র চার্জ দিতে জেনারেটরের দোকানে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ।

আম্ফানের প্রভাবে গত বুধবার (২০ মে) থেকে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। আম্ফানের পর সরকারি দফতরগুলোতে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও বাড়িঘর ও বেসরকারি প্রায় সব প্রতিষ্ঠান এখনও বিদ্যুৎবিহীন। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে সেটাও বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্ঠ পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। এই পরিস্থিতিতে ডিজেলচালিত জেনারেটর দিয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রিক যন্ত্রের ব্যাটারি চার্জ দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলার জামতলা বাজারের শিমুল হোসেনের দোকানে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন ব্যাটারিতে চার্জ দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিটি মোবাইল ফোনের ব্যাটারি চার্জ দিতে নিচ্ছেন ২০ টাকা, অটোরিকশার ব্যাটারির জন্য প্রতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭৫ টাকা।

টেংরা গ্রামের শামিম আহমেদ জানান, জরুরি প্রয়োজন থাকায় ২০ টাকা দিয়ে তার মোবাইলটি চার্জ করে নিয়েছেন। এভাবে পতিদিন অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

বেনাপোলের বাসিন্দা আজিজুর রহমান বলেন, প্রতিদিন ভ্যান চালিয়ে আয় করি ৪০০ টাকা। কারেন্ট নেই বলে জেনারেটরে চার্জ দিতে হয়। ঘণ্টায় চার্জ খরচ দিতে হচ্ছে ৫০ টাকা। আম্ফান চলে গেলেও আমাদের ক্ষতি এখনো শেষ হয়নি।

এমন অবস্থায় বেনাপোলের অনেকেই এখন ব্যাটারি চার্জ দেয়ার ব্যবসায় নেমেছেন। শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যাটারি চার্জারের দোকানদার বলেন, এতে দিন শেষে হাজার খানেক টাকা লাভ থাকছে।

উপজেলার নাভারন, বাগআঁচড়া, গোগা, শার্শা, জামতলা, উলাশী, ডিহি, শাড়াতলা, নিজামপুর, লক্ষণপুর ও কাশিপুর, বেনাপোল, বাহাদুরপুর, পুটখালি, বারপোতাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে মোবাইল ফোনে চার্জ দিতে লম্বা লাইন।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডিজিএম হাওলাদার রুহুল আমিন বলেন, এই অফিসের আওতায় গ্রাহক সংখ্যা এক লাখের অধিক। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে এই এলাকার দুইশর ওপর বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। তার ছিঁড়েছে বহু স্থানে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে তা তিনি বলতে পারেননি। তবে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে এসব এলাকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে।

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ২৬ মে

যশোর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে