Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ৪ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.1/5 (16 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-১৬-২০২০

আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে, ছাত্রীর আত্মহত্যাচেষ্টা

আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে, ছাত্রীর আত্মহত্যাচেষ্টা

লক্ষ্মীপুর, ১৬ জুন- লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এবং বাল্যবিয়ে দিতে নিষেধ করায় ডাব বিক্রেতা সেজে স্কুলছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে কৌশলে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি তোলা হয়। এদিকে তুলে নেওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তোলা ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ওই ছাত্রী। মা-ও রয়েছেন চরম দুশ্চিন্তায়। এ ঘটনার বিচার চেয়ে সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় স্কুলছাত্রীর মা রায়পুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

অভিযোগ আনা হয়, উপজেলার বামনী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বামনী গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে রাছেল হোসেন, শারমিন আক্তার, জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে ইমন হোসেন শুভ ও আরিফ হোসেন।

সূত্র জানায়, ওই ছাত্রী বামনী ইউনিয়নের শামছুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। সহপাঠি ইমন হোসেন তাকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বৈঠকে ছাত্রীকে হয়রানি না করার জন্য ইমনকে সতর্ক করা হয়। গত ঈদুল ফিতরের দিন ইমন কৌশলে ওই ছাত্রীকে ঘুরতে নিয়ে যায়। এ সময় ইমনের সহযোগীরা সঙ্গে ছিল। একপর্যায়ে ছাত্রীর গলায় ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয় তারা। এ সময় জোরপূর্বক তার কয়েকটি আপত্তিকর ছবি তোলা হয়। পরে একটি অলেখা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছাত্রীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

এদিকে ইমনের বাবা জাহাঙ্গীর প্রায়ই মোবাইল ফোনে ওই ছাত্রীর মাকে কল দিয়ে তার ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে চাপ দেয়। কিন্তু বাল্যবিয়ে দিতে নিষেধ করায় গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সহযোগী আরিফ ডাব বিক্রেতা সেজে ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আরিফ পালিয়ে যায়। ব্যর্থ হওয়ায় জোরপূর্বকভাবে তোলা ওই ছাত্রীর আপত্তিকর ছবিগুলো রবিবার (১৪ জুন) অপর সহযোগী রাসেল তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। সেখানে খারাপ কিছু লেখাও পোস্ট করে রাছেল। এ ঘটনা সহ্য করতে না পেরে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এমন পরিস্থিতিতে মেয়েকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছেন প্রবাসফেরত বিধবা মা।

স্কুলছাত্রীর মা জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পরে মেয়েকে তার (ছাত্রীর মা) বাবার বাড়িতে রেখে ওমান চলে যান। ছুটিতে তিনি দেশে এসেছেন। এখন মেয়েকে নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। মেয়েকে রেখে বিদেশ গেলে অভিযুক্তরা তুলে নিয়ে যাওয়ার শঙ্কা করছেন তিনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।

রায়পুর থানার এসআই কুদ্দুছ মিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে ছাত্রীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: কালের কন্ঠ

আর/০৮:১৪/১৬ জুন

লক্ষীপুর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে