Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০ , ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-১৯-২০২০

চতুর্ভুজ প্রেমের বলি মোবারক

চতুর্ভুজ প্রেমের বলি মোবারক

নাটোর, ১৯ জুন- চতুর্ভুজ প্রেমের অবৈধ সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেয়ায় প্রেমিকা আরিফা বেগমের ((৩০) নির্দেশেই খুন করা হয় বড়াইগ্রামের ইকোরি গ্রামের কৃষক মোবারক হোসেনকে (৩৮)। ঘটনার মাত্র দুইদিনের মাথায় এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও হত্যায় জড়িত অপর তিন প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এসব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১৫ জুন বড়াইগ্রাম উপজেলার ইকোরি গ্রামের মৃত খয়ের উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন খুন হন। মোবারককে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী রানী বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে মামলা করেন। এরপর পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়ে সোনাবাজুর কাচু খার স্ত্রী আরিফা বেগমকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও জানান, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আরিফা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন এবং অপর তিনজন প্রেমিকের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা জানান। পুলিশ ওই তিনজনেকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- সোনাবাজু গ্রামের ইমরুল প্রামাণিকের ছেল রশিদ প্রামাণিক (৩৮) একই গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে জিহাদ আলী (৩২) এবং ইকোরি গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আসাদুল ইসলাম (৩৫)।

পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন আরিফা। তিনি পালাক্রমে মোবারকসহ চারজনের সঙ্গেই অবৈধ মেলামেশা করতেন। তাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিতেন। মোবারক ঠিকমত আরিফাকে টাকা দিতেন না। এছাড়াও অন্যদের সঙ্গে আরিফার সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেন। এতে আরিফা ক্ষুব্ধ হয়ে অপর তিন প্রেমিককে নিয়ে তাকে উপযুক্ত শিক্ষা দেয়ার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দিন মোবারক গরু চড়াতে গেলে আরিফা তাকে প্রলোভন দিয়ে পাট ক্ষেতে ডেকে নিয়ে যান। এরপর কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অভিযুক্তরা মোবারককে হত্যা করেন। পরে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করেতে থাকেন।

পুলিশ সুপার বলেন, মোবারককে হত্যার পর আসামিরা মোবাইল ফোনে কোনো রুপ যোগাযোগ করেননি। কিন্তু ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় পুলিশ বিচক্ষণতার সঙ্গে আরিফাকে টার্গেট করে গ্রেফতারের পর হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকরামুল ইসলাম, নাটোর সদর সার্কেলের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত , বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলিপ কুমার দাস, ডিবির ওসি আনারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: জাগোনিউজ

আর/০৮:১৪/১৯ জুন

নাটোর

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে