Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০ , ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (10 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-০১-২০২০

যে কারণে ঈদের দিন রোজা রাখা নিষিদ্ধ

যে কারণে ঈদের দিন রোজা রাখা নিষিদ্ধ

বছরে যে কয়দিন রোজা রাখা নিষিদ্ধ, তন্মধ্যে দুই ঈদের দিন অন্যতম। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা তথা কুরবানির ঈদে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন স্বয়ং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-

হজরত ইবনু আজহাবের আযাদকৃত দাস আবু উবায়দ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বর্ণনা করেন, তিনি হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনুহর সঙ্গে কুরবানির ঈদের দিন ঈদগাহে উপস্থিত ছিলেন। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু খুতবার আগে (ঈদের) নামাজ আদায় করেন। এরপর উপস্থিত জনতার সামনে খুতবা দেন। তখন তিনি বলেন-

'হে লোক সকল! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দুই ঈদের দিনে রোজা পালন করতে নিষেধ করেছেন। তার মধ্যে একটি হলো- তোমাদের রোজা ভাঙার দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিন। আর অন্যটি হলো- এমন দিন যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানির পশুর গোশত খাবে।' (বুখারি)

সুতরাং ১০ জিলহজ ঈদুল আজহা তথা আল্লাহর জন্য পশু কুরবানির দিন। এ দিন ঈদের নামাজের পর কুরবানি অপেক্ষা কোনো ইবাদতই উত্তম নয়। আর এ দিনে কুরবানির গোশত খাওয়ার জন্যই মুমিন মুসলমানের জন্য রোজা রাখা নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে রমজান মাস জুড়ে আল্লাহর বিধান পালনে সিয়াম সাধনার পর শাওয়াল মাসের প্রথম রোজা না রেখে ভাঙার মাধ্যমে ঈদ উদযাপনের নির্দেশও দিয়েছেন বিশ্বনবি। কারণ এ দিনটিও মুমিন মুসলমানের খুশির দিন।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, শাওয়ালের ১ তারিখ এবং জিলহজের ১০ তারিখ হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদ উৎসব পালনে রোজা না রাখা। কুরবানির গোশত পরিবারের লোকদের নিয়ে নিজে খাওয়ার পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও গরিব-দুঃখীদের আহার করানোর মাধ্যমে কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা মেনে চলাও জরুরি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ১ শাওয়াল ও ১০ জিলহজ রোজা না রেখে হাদিসের নির্দেশনা মেনা চলা ও যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এম এন  / ০১ আগস্ট

ইসলাম

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে