Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০ , ১৭ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (46 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)


আপডেট : ০৪-১৬-২০১৪

ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকে দুই প্রবাসীর ৪৫ লাখ টাকা গায়েব

সাইদ আরমান


ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকে দুই প্রবাসীর ৪৫ লাখ টাকা গায়েব

সিলেট, ১৬ এপ্রিল- অভিনব ব্যাংক জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের লন্ডন খ্যাত সিলেটে। প্রবাসী দুই নাগরিকে আমানতকে বন্ধক দেখিয়ে বেনামি এক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে ফার্স্ট সিউকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক শাখা। বেনামি ওই গ্রাহক ঋণের অর্থ পরিশোধ না করায় প্রাবসী ওই দুই নাগরিককে ৪৫ লাখ টাকা ব্যাংক নগদায়ন করে নিয়েছে। অথচ ঋণ গ্রহণকারী ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লন্ডন প্রবাসী দুই নাগরিক শাহ আমীর আলী ও আবদুল মো. মুকিতের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এমন জালিয়াতির ঘটনায় প্রবাসী আয়ের জন্য শঙ্কার। যার সার্বিক প্রভাব গিয়ে পড়তে পারে আমাদের অর্থনীতিতে। কারণ প্রবাসীরা প্রতারিত হলে তারা দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে নিরুৎসাহিত হবে।

সূত্র জানিয়েছে, বেসরকারি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সিলেট শহর শাখায় এমনই এই জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যংক।

সিলেটের ব্যাংকিং হাল হকিকত নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে অভিনব এই জালিয়াতির তথ্য পাওয়া গেছে। প্রবাসী এই দুই নাগরিক শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেছে অভিযোগ নিয়ে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সিলেট শাখায় নিজেদের আমানত জমা রাখেন লন্ডন প্রবাসী দুই নাগরিক শাহ আমীর আলী ও আবদুল মো. মুকিত নামের দুই ব্যক্তি। এর মধ্যে শাহ আমীর আলীর জমা ২০ লাখ টাকা। আর মুকিত জমা রাখেন ২৫ লাখ টাকা। ব্যাংকের দ্বিগুণ ডিপোজিট প্রকল্পের আওতায় আমীর ও মুকিত এই আমানত রাখেন বলে জানা গেছে।

সূত্র বলছে, কিন্তু ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের সিলেট শাখার ব্যবস্থাপক এ জেড নিোজ আহমেদ চৌধুরী ও ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মিলে এই দুই গ্রাহকের অর্থ জমানো হিসেব দেখিয়ে মেসার্স সিলমুন কনর্সোটিয়াম নামের একটি বেনামি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়।

সূত্র বলছে, ঋণ নিয়ে সিলমুন কনর্সোটিয়াম খেলাপি হয়ে পড়ে। এরপর দুই আমানতকারির অর্থ থেকে সমন্বয় করে ঋণের অনাদায়ী ‍অর্থ আদায় করে ব্যাংক।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ঋণ প্রদানকালে আমীর আলী দেশে ছিলেন না। তিনি ২০০৭ সাল থেকে লন্ডনে থাকেন। এরপর ২০১৩ সালের ‍ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত তিনি কখনো দেশে আসেননি। একই ভাবে ঋণ প্রদানের সময়টাতে বিদেশে ছিলেন মুকিত।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র বলছে, অর্থ লুটের শিকার হওয়া গ্রাহকরা আলাদ ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিলেট অফিসে অভিযোগ আনেন। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের সিলেট শাখা বিষয়টি অনুসন্ধানে নামে এবং লুটের ঘটনার সত্যতা পায়। আগামী ২৫ এপ্রিলে মধ্যে দুই গ্রাহকের অর্থ ফেরত দিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ মাহব্যবস্থাপক স্বপন কুমার রায় বলেন, আমরা এমন অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া বলেন, আমি ব্যাংকের কোনো বিষয়ে কথা বলি না। আমার ব্যক্তিগত কোনো বিষয় জড়িত থাকলে বলতাম।

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে