Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১২ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.5/5 (27 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৮-২২-২০১৪

উদ্যোগ সন্দেহজনক, উদ্দেশ্যও সন্দেহজনক

আসিফ নজরুল


জিয়াউর রহমানের আমলে আলোচিত সংশোধনীটি করা হয়নি, করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আমলে। ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী বলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাত থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে অর্পণ করা হয়। জিয়াউর রহমানের আমলে বরং চতুর্থ সংশোধনী পরিবর্তন করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের (এর সদস্য প্রধান বিচারপতি এবং তার পরের সবচেয়ে সিনিয়র দুজন বিচারপতি) তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া রাষ্ট্রপতি কোনো বিচারপতিকে অপসারণ করতে পারবেন না—এই বিধান করা হয় পঞ্চম সংশোধনীবলে।

উদ্যোগ সন্দেহজনক, উদ্দেশ্যও সন্দেহজনক

উচ্চ আদালতের ওপর প্রসন্ন থাকার বহু কারণ আছে আওয়ামী লীগের। উচ্চ আদালত সামরিক শাসনামলের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল করেছিলেন। আইনের ভাষায় ‘ডকট্রিন অব পলিটিক্যাল কোয়েশ্চেন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠিত মতবাদ রয়েছে। এটি পুরোপুরি অবজ্ঞা করে একজন বিচারপতি ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন’, তা উচ্চ আদালতে নিষ্পত্তি করেছিলেন। একই বিচারপতি বিতর্কিত রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল করে ৫ জানুয়ারি ভোটহীন নির্বাচন করার পথও সুগম করে দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, উচ্চ আদালতের কোনো কোনো বিচারপতি কিছু সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন (যেমন বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের জামিন প্রদান), যা কিছুটা হলেও সমস্যা তৈরি করেছিল সরকারের জন্য। বিশেষ করে, উচ্চ আদালত নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের মামলায় র্যাবের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও ঘটনাটির তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় বেশ বিপাকে পড়ে সরকার। প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী এ নিয়ে উচ্চ আদালতের প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন প্রকাশ্যে। এর আগে অন্য একটি ঘটনায় বর্তমান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী উচ্চ আদালতের প্রতি সরাসরিভাবে অবমাননাকর ও অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করেন। বোঝা যাচ্ছিল, উচ্চ আদালত নিয়ে খুব স্বস্তিতে নেই সরকার।
উচ্চ আদালতের স্বাধীন সত্তা নিয়ে সরকারের অস্বস্তির অবসান ঘটতে যাচ্ছে অচিরেই। আগামী সংসদ অধিবেশনে সরকার পাস করতে যাচ্ছে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী। এই সংশোধনী পাস হলে উচ্চ আদালতের বিচারকদের চাকরিচ্যুত করার ক্ষমতা ফিরে পাবে জাতীয় সংসদ। ১৯৭২ সালের সংবিধানে এমন বিধানই ছিল। তখনকার ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থিত প্রস্তাবক্রমে কোনো বিচারককে অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের দায়ে সংসদ অপসারণ করতে পারত। সংসদে এখন আওয়ামী লীগ এবং তার অনুগত দলগুলোর আসন সংখ্যা প্রায় শতভাগ। প্রকৃতিগতভাবে এই সংসদ সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কাজেই সংসদের কাছে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরে এলে ভবিষ্যতে কোনো বিচারককে চাকরিচ্যুত করতে চাইলে বর্তমান সরকারের কোনোই সমস্যা হবে না।
এ রকম একটি বাস্তব আশঙ্কা সামনে রেখে উচ্চ আদালতের বিচারকদের পক্ষে কি স্বাধীনভাবে কাজ করা সম্ভব? বিশেষ করে, সেসব মামলায় যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন বা দুর্নীতির অভিযোগ থাকে সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে?

২.
খুব ঘটা করে আওয়ামী লীগ এর আগে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী করেছিল। সংবিধান সংশোধনীবিষয়ক কমিটি করা হয়েছিল, সেই কমিটি ব্যাপক আলাপ-আলোচনা করেছিল সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে। কিন্তু সংবিধান সংশোধনীর পর দেখা গেল সংবিধান পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে আসলে অন্যদের মতামতের গুরুত্ব দেয়নি আওয়ামী লীগ। যা করা হয়েছিল, তা ছিল প্রায় সম্পূর্ণভাবে দলটির শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছের প্রতিফলন।
পঞ্চদশ সংশোধনী ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংবিধান সংশোধনী। দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে করা এই বিশাল সংশোধনীতেও বিচারকদের অপসারণ-সম্পর্কিত সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। তখনকার সংসদের বৈধতা নিয়ে কারও কোনো প্রশ্ন ছিল না, সেই সংসদে একটি সত্যিকারের বিরোধী দলও ছিল, সমাজে তখন ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফেরত যাওয়ার একটি আলোচনাও ছিল, সংসদে এক-দুজন সদস্য সরাসরি তখন বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও তুলেছিলেন। এত কিছুর পরও তখন ৯৬ অনুচ্ছেদের পরিবর্তন করা হয়নি। তাহলে এখন কেন ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে তড়িঘড়িভাবে এই পরিবর্তন করা হচ্ছে বর্তমানের প্রশ্নবিদ্ধ একটি সংসদে?
৯৬ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করার পক্ষে পত্রপত্রিকা পড়ে তিনটি যুক্তির কথা জানা গেল। এক, বলা হচ্ছে, জিয়াউর রহমান ১৯৭২ সালের সংবিধান পরিবর্তন করে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ থেকে কেড়ে নিয়েছিলেন। বলা হচ্ছে, এই ‘মন্দ’ লোকটির করা বিধানের চেয়ে ১৯৭২ সালের বিধান স্বতঃসিদ্ধভাবেই ভালো, তাই ১৯৭২ সালে ফেরত যাওয়া উচিত। সরকারের এই অসত্য প্রচারণার ভালো প্রভাব পড়েছে শীর্ষস্থানীয় পত্রপত্রিকাগুলোতেও; এদের অধিকাংশ প্রতিবেদনে বিচারপতিদের অপসারণে সংসদের ক্ষমতা জিয়ার আমলে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলা হচ্ছে।
এই প্রচারণা অসত্য। কারণ, জিয়াউর রহমানের আমলে আলোচিত সংশোধনীটি করা হয়নি, করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আমলে। ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী বলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাত থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে অর্পণ করা হয়। জিয়াউর রহমানের আমলে বরং চতুর্থ সংশোধনী পরিবর্তন করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের (এর সদস্য প্রধান বিচারপতি এবং তার পরের সবচেয়ে সিনিয়র দুজন বিচারপতি) তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া রাষ্ট্রপতি কোনো বিচারপতিকে অপসারণ করতে পারবেন না—এই বিধান করা হয় পঞ্চম সংশোধনীবলে।
ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে দ্বিতীয় যুক্তি হিসেবে আইন কমিশনের মতামতের কথা বলা হচ্ছে। আইন কমিশনের চেয়ারম্যান সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক পঞ্চম সংশোধনী মামলার রায়ে বরং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল রাখার পক্ষে লিখেছেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন আইন কমিশন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোন বিবেচনায় এখন সম্পূর্ণ উল্টো মতামত দিচ্ছেন, তা একদমই পরিষ্কার নয়।
আইন কমিশনের দুই লাইনের একটি মতামতে বলা হয়েছে, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, তা সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারকদের কেউ যদি কর্তব্যে গুরুতর অবহেলা বা আচরণবিধি লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণ করেন, তাহলে তিনি জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন মর্মে মূল সংবিধানের প্রদত্ত বিধান চালু করা যেতে পারে।’
আমার প্রশ্ন, আইন কমিশন কি মনে করে যে বর্তমান ব্যবস্থায় বিচারকেরা আইনের ঊর্ধ্বে রয়েছেন? আর আইন কমিশন যদি মনে করে দায়বদ্ধতার স্বার্থে ১৯৭২ সালে সংবিধানে ফেরত যাওয়া প্রয়োজন, তাহলে সেই সংবিধানে অবসরের পর বিচারকদের সরকারের কোনো পদে নিয়োগের ওপর যে নিষেধ আছে (৯৯ অনুচ্ছেদ), তা ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব কমিশন কেন করছে না?
জিয়াউর রহমানের আমলে ৯৯ অনুচ্ছেদ পরিবর্তিত হওয়ার ধারাবাহিকতা হিসেবেই বিচারপতি খায়রুল হক প্রধান বিচারপতির মর্যাদায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধানের কেবল ৯৬ অনুচ্ছেদ বিধান ফিরিয়ে আনার পক্ষে মত দিলে এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য অতি প্রয়োজনীয় ৯৯ অনুচ্ছেদ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদ (এটিও পরিবর্তন করা হয়েছিল চতুর্থ সংশোধনীর দ্বারা) ফিরিয়ে আনার পক্ষে মত না দিলে তা সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে করার কোনো কারণ নেই।
৩.
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে আনার পক্ষে সবচেয়ে জোরালো যে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, এই একই রকম ব্যবস্থা ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কাসহ পৃথিবীর অনেক রাষ্ট্রে অনুসৃত হচ্ছে। এই যুক্তি আলোচনার আগে আমি কলেজজীবনের একটি অভিজ্ঞতা বলি। ঢাকা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে আমাদের প্রিয় একটি বিষয় ছিল যুক্তিবিদ্যা। সেখানে অবরোহ পদ্ধতিতে যুক্তি দেওয়ার একটি উদাহরণ ছিল এ রকম: মানুষ মরণশীল, বানর মরণশীল, অতএব মানুষ হচ্ছে বানর।
এটি অনুসরণ করে মানুষকে গাধা, খচ্চর ও জিরাফও বানিয়ে দেওয়া সম্ভব। এই পদ্ধতির গলদ হচ্ছে, এতে শুধু একটি সাদৃশ্যের ওপর নির্ভর করে অন্য বহু বৈসাদৃশ্য উপেক্ষা করে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়। আমি আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করেছি, এই পদ্ধতি বহু লেখক, আলোচক ও বুদ্ধিজীবী অনুসরণ করে সরকারের উদ্দেশ্যমূলক কোনো কাজের পক্ষে ওকালতি করে থাকেন। বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা উন্নত গণতন্ত্রে সংসদের কাছে আছে, এটি সত্যি; কিন্তু সেখানকার সংসদ বা আইন বিভাগ বাংলাদেশের মতো প্রশ্নবিদ্ধভাবে গঠিত নয়। সেখানে বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা রাখার অবকাশ আছে, সংসদে আলোচনা এবং নিয়োগ শুনানিকালে সাংসদেরা নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন, সেখানে সংসদ, মন্ত্রিসভা ও সরকারি দল এক ব্যক্তির একচ্ছত্র কর্তৃত্বাধীন নয় এবং বিচারকসহ সব জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে দলীয়করণের সুযোগ অবারিত নয়। সেসব দেশের তুলনা তাহলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কীভাবে প্রাসঙ্গিক হবে?
বাংলাদেশের সঙ্গে একমাত্র তুলনীয় হতে পারে শ্রীলঙ্কার। শ্রীলঙ্কায় চরম দমননীতি, দলীয়করণ এবং অপশাসনের মাধ্যমে মাহিন্দা রাজাপক্ষে সরকার একটি একদলীয় ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে নেমেছে। সে রকম একটি দেশে সংসদের হাতে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা থাকলে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে, সাবেক প্রধান বিচারপতি শিরানি বন্দরনায়েকের পরিণতি থেকে তা আঁচ করা যেতে পারে (বিস্তারিত জানতে প্রথম আলোতে গতকালের কামাল আহমেদের লেখা পড়ুন)। আমার আশঙ্কা, বাংলাদেশেও ষোড়শ সংশোধনী পাস হলে স্বাধীনচেতা ও নিরপেক্ষ বিচারকদের একই পরিণতি হতে পারে, উচ্চ আদালত কোনো কোনো ক্ষেত্রে হয়ে উঠতে পারে সরকারের আজ্ঞাবাহী প্রতিষ্ঠান।

৪.
একটি রাষ্ট্রে সরকারের পাশাপাশি নানান রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি থাকে। এরাই সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে রাখে, সরকারের অবাধ ক্ষমতার বিপরীতে দেশে ও সমাজে ভারসাম্য সৃষ্টির কাজ করে। বিশেষ করে, ৫ জানুয়ারি-পরবর্তী সময়ে সরকার ধারাবাহিকভাবে এসব শক্তির ওপর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। যেমন: বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর জেল, জুলুম ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সংসদকে চরম আজ্ঞাবহভাবে গড়ে তোলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কমিশনে নতজানু ধরনের লোকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে এবং নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও অ্যাক্টিভিস্ট সংগঠনগুলোর ওপর নানা ধরনের আইন ও নীতিমালা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সংসদের কাছে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা প্রত্যর্পণ একই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি পদক্ষেপ বলে আশঙ্কা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
সরকার প্রস্তাবিত ষোড়শ সংশোধনীতে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দিতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে বিচারকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছেই অব্যাহত রাখলে উচ্চ আদালতের স্বাধীনতা হরণের এই আশঙ্কা অনেকাংশে দূরীভূত হতে পারে।

আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে