Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ৯ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 1.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৩-০৬-২০১২

উদীচী ট্রাজেডি: ১৩ বছরেও শেষ হয়নি বিচার কাজ

উদীচী ট্রাজেডি: ১৩ বছরেও শেষ হয়নি বিচার কাজ
৬ মার্চ উদীচী ট্র্যাজেডি দিবস। ১৯৯৯ সালের এ দিনে যশোরে উদীচীর ১২তম সম্মেলনে বোমা হামলায় ১০ সাংস্কৃতিক কর্মী মারা যান। আহত হন শতাধিক। দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে উদীচী যশোর।
সেদিন ছিল যশোর টাউন হল মাঠে আয়োজিত বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনের শেষদিন। রাত ১টার কিছু সময় পর মঞ্চের পেছনে প্রথমে একটি পরে আরেকটি শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটে।



এতে প্রাণ হারান নূর ইসলাম, নাজমূল হদা তপন, সন্ধ্যা রানী ঘোষ, ইলিয়াস মুন্সি, শাহ আলম বাবুল, বাবুল সূত্রধর, শাহ আলম, বুলু, রতন রায় এবং রামকৃষ্ণ। আহতদের কেউ দু’ পা, কারো এক পা, কারো হাত, কেউবা শ্রবণশক্তি হারিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেন। এ ঘটনার পরদিন অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

 

এদিকে, ১৩ বছরেও উদীচী হত্যাকাণ্ড ও বিস্ফোরণ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি। ঘাতকদের বিচার করতে সরকার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।

 

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর উদীচী মামলার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। ২০১১ সালের ৪ মে সরকারের দায়ের করা আপিলটি গ্রহণ করে বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া ও কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

 

এর ফলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। উচ্চ আদালত এ মামলার খালাসপ্রাপ্তদের পুনরায় আত্মসমর্পনের জন্য সমন জারির নির্দেশ দেন। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ২০১১ সালের ২০ জুন যশোর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৌঁছায়।

 

এরপর ২১ জুন খালাসপ্রাপ্ত ২৩ আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সমনে উল্লেখ করা হয়, এক মাসের মধ্যে সবাইকে আত্মসমর্পণ  করে জামিন নিতে হবে। এরপর ১৭ জন বিভিন্ন সময়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।

 

কিন্তু শফিকুল ইসলাম মিন্টা, শরিফুল ইসলাম লিটু ও সোহরাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় তাদের বিরুদ্ধে ২৪ জুলাই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

 

সর্বশেষ গত ফেব্রুয়ারি মাসে আটক হন এ মামলার অন্যতম আসামি শফিকুল ইসলাম মিন্টা। পরে তাকেও জামিন দেয় আদালত। বর্তমানে তিনি অন্য একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন।

 

আদালত সূত্র জানায়, এ মামলায় মোট ২৩ আসামি খালাস পান। পরে মহিউদ্দিন আলমগীর, আহসান কবীর হাসান ও মিজানুর রহমান মিজান মারা যান। আদালতের কাছে তাদের মৃত্যুর কাগজপত্র দাখিল হওয়ায় তাদের বাদে বাকি ২০ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

অপর একটি সূত্র জানায়, শরিফুল ইসলাম লিটু বর্তমানে ভারত ও সোহরাব মালয়েশিয়াতে অবস্থান করছে।

   

এদিকে এ ঘটনার ১৩তম বার্ষির্কী উপলক্ষে উদীচী দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদ স্মারকে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা ও প্রতিবাদী সংগীতানুষ্ঠান।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে