Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ , ১২ আশ্বিন ১৪২৭

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৪-১৪-২০১২

অতীতে বসবাস, নাকি ভবিষ্যতের পথে পা ফেলা?

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম


অতীতে বসবাস, নাকি ভবিষ্যতের পথে পা ফেলা?
পশ্চিমাদের নববর্ষ একবারই আসে। আমাদের আসে দুবার। যেহেতু আমরা আমাদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছি, আবার পশ্চিমা ঐতিহ্যকে নিজের করে নিয়েছি। এতে লাভ-ক্ষতি দুটিই হয়েছে। লাভ হয়েছে—আমরা একবারের জায়গায় দুবার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব করতে পারি। ক্ষতিটাও হয়েছে ওই জায়গাতেই। বিগত দিনের আনন্দ-বেদনার খতিয়ান দুবার নিতে গিয়ে আমরা বিগত দিনেই আটকা পড়ে যাই। সামনের দিকে আর এগোতে পারি না। আমরা আবার অতীত পেলে সব ভুলে যাই। আমাদের কাছে অতীতটা বড়ই বাঙ্ময়, বড়ই রহস্যময়। আমরা, মানে শিক্ষিতজনেরা, রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা, আমজনতা নয়। জর্জ অরওয়েলের মতো বিশ্বাস করি, ‘যারা অতীত নিয়ন্ত্রণ করে, তারা ভবিষ্যৎও নিয়ন্ত্রণ করে।’ কিন্তু ফ্রেডরিক নিৎসে যখন বলেন, ‘মানুষ অতীত আঁকড়ে থাকে, কাজেই যতদূর অথবা যত দ্রুতই সে দৌড়াক, ওই শিকলটাও তার সঙ্গে দৌড়াতে থাকে।’ আর শিকল পরে দৌড়ালে কতদূর যাওয়া যায়, কিশোরগঞ্জের কালাম ডাকাতকে, যদি সে বেঁচে থাকে, জিজ্ঞেস করুন। আমাদের কৈশোরে কালাম ডাকাত বন্দী ছিল সিলেট কারাগারে। সেখান থেকে আদালতে নেওয়ার সময় একদিন সে দৌড় লাগাল। বেচারা ভালোই দৌড়াত, কিন্তু শিকল পরে কুড়ি গজ যেতে না যেতেই সবচেয়ে লিকলিকে স্বাস্থ্যের কনস্টেবলটাও তাকে ধরে ফেলল। সাপ্তাহিক যুগভেরী লিখেছিল, ‘কালাম ডাকাতের অপরিণামদর্শী দৌড়!’ সিলেটের দুর্গাকুমার পাঠশালার আমাদের প্রিয় শিক্ষক জ্ঞান বাবু বলতেন, ‘খুব বেশি পেছন ফিরে তাকাবি না, তাহলে সেখানেই তোকে যেতে হবে।’
আমাদের নেতা-নেত্রীরা ওই পেছনে তাকানোটা প্রবাদের অর্থেই নেন। শুধুই অতীতে পড়ে থাকেন। আমাদের রাজনৈতিক আখ্যানের দিকে নজর দিন: সামনের দিকে তাকানোর কোনো কথা নেই, আছে সব পেছনের ইতিহাসের বয়ান। সেদিনই কাগজে পড়লাম, এক অনুষ্ঠানে এক বুদ্ধিজীবী দাবি করেছেন, বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে যখন পাকিস্তানিদের হাতে ধরা দিলেন, শহীদ জিয়া তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার দায়িত্ব নিলেন। একসময় শুনতাম, জিয়া ২৭ মার্চ রেডিওতে ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে শুনলাম ২৬ মার্চ। এখন শুনছি ২৫ মার্চ। একদিন হয়তো শুনব, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু নয়, শহীদ জিয়াই বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ অতীতেই পড়ে থাকেন এসব বুদ্ধিজীবী, অথচ ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুর পাঠানো ওয়্যারলেস বাণীটা তাঁরা বিবেচনায় আনতে চান না। একইভাবে, কিছু বুদ্ধিজীবী দেখি জিয়াউর রহমানকে ২৬ অথবা ২৭ মার্চ, কোনো দিনই কোনো ঘোষণার কৃতিত্ব দিতে চান না। আমরা যদি ভবিষ্যৎকামী জাতি হতাম, কবেই এই মামলার নিষ্পত্তি হতো। বঙ্গবন্ধু থাকতেন তাঁর মহান উচ্চতায়। জিয়াউর রহমান পেতেন তাঁর প্রাপ্য কৃতিত্ব।
এই যে অতীত নিয়ে আমরা এত খোঁড়াখুঁড়ি করি, তাও যদি হতো বর্তমানের জন্য পাথেয় সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে, তাহলেও একটা কথা ছিল। কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। মেধাবী মানুষ যাঁরা, তাঁরা ঠান্ডা মাথায় কৃতকর্মের ব্যবচ্ছেদ করেন; ভালোগুলো তুলে রাখেন বিনিয়োগের জন্য, খারাপগুলো ফেলে দেন ময়লার ঝুড়িতে। খারাপ থেকে, ভুল থেকে শিক্ষা নেন, ভালো থেকে দ্বিগুণ ভালোর উৎসাহ নেন। আমাদের দেশের প্রকৃত মেধাবী যাঁরা, সেই উদয়াস্ত পরিশ্রম করে আবহাওয়া, মহাজন, সার, সেচের অভাব আর নানান বিপন্নতার প্রতিকূলতা জয় করে যাঁরা প্রতিবছর গড় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার থেকে খেতের ফসলের বৃদ্ধির হারকে ওপরে রেখেছেন; যাঁরা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই বিদেশে তৈরি সূক্ষ্ম জটিল নানা যন্ত্রপাতিকে বশ মানিয়ে কলকারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রেখেছেন নিজেরা আধপেটা খেয়ে, সেই কৃষক-শ্রমিকেরা কিন্তু অতীতে পড়ে থাকেন না, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগোন। তাঁরা জানেন, গত বছরের ফলন কী কারণে কম হয়েছে, এ বছর ফলন বাড়ানোর জন্য কী করতে হবে; অথবা, কারখানায় কেন উৎপাদনে সমস্যা ছিল এবং এ বছর এই সমস্যা মোকাবিলায় কী করতে হবে। তাঁরা প্রতিবেশীকে সাত বছর আগে ফসল ফলাতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য কটাক্ষ করেন না, অথবা ১০ বছর আগের উৎপাদনে ঘাটতির জন্য সহকর্মীকে অপদস্থ করেন না। কিন্তু এখনো কিছু নেতা-নেত্রীর মুখে প্রায়ই শুনি, ‘১৯৭৪ সালে যারা দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে দেশের মানুষকে মেরেছে, সেই দল আবারও ক্ষমতায়। আপনারা সাবধান।’ অথবা ‘যারা ক্ষমতায় পাঁচ বছরে এক ফোটা বিদ্যুৎ দিতে পারেনি, তারা যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে, তা নিশ্চিত করুন।’ আমাদের রাজনীতিতে প্রকৃত মেধাবীরা গেলে তারা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের ইতিহাসটা জানত, আন্তর্জাতিক শক্তি আর দেশীয় মুনাফালোভীরা (যাদের প্রকৃত কোনো দল নেই) যে প্রতিকূলতা সৃষ্টি করেছিল, সদ্য স্বাধীন হওয়া একটি দেশের জন্য তার পূর্বাপর ইতিহাস জানত। তারা এ জন্য একটি দলের ওপর সকল ব্যর্থতার দায় না চাপিয়ে নিজেদের, অর্থাৎ সকল নাগরিকের দায়টাও স্বীকার করে নিত। গ্রামের যে মানুষগুলো ১৯৭১ সালে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই শহর থেকে পালিয়ে আসা মানুষগুলোকে আশ্রয় দিয়েছিল, তারাই যখন অন্নের অভাবে ১৯৭৪ সালে ঢাকায় এসেছিল, শহরের সেই মানুষগুলোই তো তাদের মুখের ওপর সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। দুর্ভিক্ষের দায়টা তাহলে কার ছিল? দুর্ভিক্ষ থেকে মানুষগুলোকে বাঁচাতে কি ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন কথাপ্রিয় সেই রাজনীতিবিদেরা, যাঁরা তরুণ ছিলেন, যাঁদের সামর্থ্য ছিল? অতীতে পড়ে থাকলে অতীতের ত্রুটিগুলো চোখে পড়ে অবশ্যই, কিন্তু অতীত যেহেতু দেখার দৃষ্টিটা অস্বচ্ছ করে দেয়, অতীতের আয়নায় নিজের চেহারাটা তখন আর চোখে পড়ে না।
অতীতদুষ্ট আমাদের অস্বচ্ছ চোখে দূরের কিছুই ধরা পড়ে না, শুধু খুব কাছের বস্তুগুলো দেখা যায়। সে জন্য খুব কাছের প্রাত্যহিকতার বিষয়গুলো নিয়েই আমাদের নিত্যদিনের কলহ, বাগিবতণ্ডা। আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায় বস্তুজীবন, চাওয়া-পাওয়া, ক্ষমতা। আমাদের দৃষ্টির কেন্দ্রে থাকি আমরা নিজে, অথবা পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-কুটুম, দলের মানুষ। দৃষ্টি পরিব্যাপ্ত না হলে দেশ চোখে পড়ে না, দূরের মানুষকে দেখা যায় না। সে জন্য প্রতিদিন নিজের স্বার্থকেই সিদ্ধি মেনে আমরা কাজে নেমে পড়ি। সেই কাজও স্বার্থসিদ্ধির কাজ—সমষ্টির নয়, ব্যক্তির। আমাদের রাজনীতিতে এত যে ঝগড়া-বিবাদ, তা ভবিষ্যৎকে না চেনার জন্য। একটি ছোট উদাহরণ দিই। সম্প্রতি মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির বিষয়ে আন্তর্জাতিক একটি আদালত একটি রায় দিয়েছেন। রায়টিকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা ‘উইন-উইন’ বলে অভিহিত করেছেন, অর্থাৎ এতে দুটি দেশেরই কিছু প্রাপ্তি ঘটেছে, দুটি দেশকেই কিছু ছাড় দিতে হয়েছে। তবে বাংলাদেশের লাভের ভাগটা যে মিয়ানমারের তুলনায় অনেক বেশি, সেটিও রায়টি পড়লেই স্পষ্ট হয়। বাংলাদেশের এই স্বস্তির প্রাপ্তিটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য একটি অর্জন এবং মন্ত্রণালয়টি যেহেতু সরকারের একটি অঙ্গ, সে জন্য এ কৃতিত্ব সরকারেরই। কিন্তু সরকারি দল এই রায়কে যেভাবে সমুদ্র-বিজয় বলে অভিহিত করছে, বিজয় মিছিল ইত্যাদির আয়োজন করছে, তাতে কূটনৈতিক এবং আইনি প্রক্রিয়ায় একটি সমস্যা সমাধানের বিষয়টি যুদ্ধের মাঠের বিজয়-পরাজয়ের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ যদি সমুদ্র বিজয় করে থাকে, তাহলে বিজিত নিশ্চয় মিয়ানমার। গণতন্ত্রের পথে পা বাড়ানো একটি দেশ, যে দেশে নোবেল বিজয়ী এক গণতন্ত্রী নেত্রী রাজনীতির হাল ধরছেন, সে দেশের মানুষের জন্য এই বর্ণনা নিশ্চয় সুখকর হবে না। আমাদের উচিত ছিল মিয়ানমারের সরকারকে রায় মেনে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানানো এবং বিষয়টি সেখানেই ছেড়ে দেওয়া।
‘সমুদ্র বিজয়ের’ বিপরীতে বিরোধী দল যা করছে, তা আরও বেশি হাস্যকর এবং অসূয়া-উদ্ভূত। বিরোধী নেত্রী সংসদে সমুদ্র মীমাংসার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দেওয়ার পর এখন ‘ধন্যবাদ ফিরিয়ে নেওয়া’ হয়েছে। কাগজে দেখলাম, বিএনপির বুদ্ধিজীবীরা আবিষ্কার করেছেন, বাংলাদেশ ঠকেছে। টিভিতে অনেককেই দেখা গেল বেশ রেগে বক্তব্য দিচ্ছেন। রায়টি বাংলাদেশের অনুকূলে কেন গেল—যেহেতু এই প্রাপ্তিটা শেষ পর্যন্ত সরকারের ঘরে যাবে—এ জন্য তারা যেন মহা বিরক্ত। দেখেশুনে মনে হলো, এখন মিয়ানমারের পক্ষে আদালতে একটা আপিল করাই বোধ হয় বাকি। আপিল করে বলা হবে, দয়া করে রায় বাতিল করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিন, যাতে আমরা ক্ষমতায় গিয়ে আবার মামলা করে আমাদের পক্ষে রায় নিয়ে ‘সমুদ্র বিজয়’ উৎসব করতে পারি।
আমাদের অস্বচ্ছ দৃষ্টির রাজনীতিতে স্বাভাবিক অবস্থা চলবে আর মাত্র দুই মাস। তারপর, জুনের ১১ তারিখ থেকে চলবে জোটের এক দফার আন্দোলন, এবং মহাজোটের এক দফার প্রতি-আন্দোলন। জোটের এক দফা: তত্ত্বাবধায়ক সরকার-পদ্ধতির পুনঃপ্রচলন (অথবা সরকারের পতন, যেটি আগে হয়), এবং মহাজোটের এক দফা: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই নির্বাচন। এই যে এক দফা বনাম এক দফা, এর উদ্দেশ্য কী?
এই প্রশ্নের কয়েকটি সম্ভাব্য উত্তর প্রস্তাব করছি: ক. দেশের মঙ্গলের জন্য। খ. জাতির ভবিষ্যতের জন্য। গ. দেশের শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগ-অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার জন্য। ঘ. ক্ষমতায় যাওয়া ও ক্ষমতায় থাকার জন্য। ঙ. পৃথিবীর শ্রেণীকক্ষে বাংলাদেশ সামনের সারিতে আসন পাক, সে জন্য। চ. গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করুক, সে জন্য। ছ. নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, পক্ষপাতহীন, স্বচ্ছ এবং সর্বগ্রহণযোগ্য হয় সে জন্য।
২. বৈশাখের প্রথম দিনটা আবেগ জাগায়। মনে হয়, এই একটি দিন আসে, যা কোনো লোকের কষ্টের অথবা রক্তের স্মৃতি বয়ে আনে না। এ দিনটি আসে শুধুই ‘মেলাবে-মিলিবে’র উত্তেজনা নিয়ে, শুধুই আনন্দ আর উদ্যাপনের সম্ভাবনা নিয়ে। বছরের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দিনটি আসে, প্রচণ্ড উত্তাপ আর ঝড়-ঝঞ্ঝার শঙ্কা, বুক-ফাটানো তেষ্টা আর চোখ-ধাঁধানো খরতাপ এর সঙ্গী। কিন্তু তার পরও মানুষ সব কাজ ভুলে বেরিয়ে পড়ে। মানুষ উদ্যাপনের একটা উপলক্ষ পেয়েছে এবং তাকে জাতীয় উৎসবে পরিণত করেছে, যে উৎসব নিজেকে সবার সঙ্গে এবং সবাইকে নিজের সঙ্গে মেলানোর।
এই প্রবল শক্তিটি আমাদের সংস্কৃতির। পয়লা বৈশাখকে যেভাবে জাতীয় ঐক্যের একটা প্রতীকে পরিণত করল আমাদের সংস্কৃতি, তাতেই প্রমাণিত আমাদের সংস্কৃতি ঐতিহ্যকে অখণ্ড মেনেও ভবিষ্যতের দিকে তাকায়। সংস্কৃতি গতিশীল, কারণ বিশাল বাংলার মানুষ গতিশীল। তারা বর্তমানকে ভবিষ্যতের পথে নিয়ে উত্তরণ চায়। তারা আগামীকালকে পূর্ণতার রূপে চায়। বাংলার কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মানুষ অতীতকে নিজেদের মধ্যে ধরে রাখেন, কিন্তু অতীতে পড়ে থাকেন না। সে জন্য ভবিষ্যৎটা তাঁরা দাবি করতেই পারেন।
কিন্তু ওই দাবিটি পূরণ করবে রাষ্ট্রের যেসব শক্তি—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নিয়ে সর্বোচ্চ প্রশাসন—সবখানেই তো অতীতমুখিনতা একটা রোগের মতো ছড়িয়ে আছে। তাহলে রবীন্দ্রনাথের মতো আমরা বরং প্রকৃতিকেই একটা সমাধানের জন্য বলি, যেন একটা ঝড়ের রূপকে প্রকৃতি এই অতীতচারিতাকে চূর্ণ-বিদীর্ণ করে মিলিয়ে দেয়।
তখনই হয়তো আমরা অতীতের ঘরে নিজেদের বন্দী না রেখে ভবিষ্যতের পথে পা ফেলব।
 সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম: কথাসাহিত্যিক। অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মুক্তমঞ্চ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে