Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০ , ২৪ আষাঢ় ১৪২৭

গড় রেটিং: 2.6/5 (28 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ০৬-০৪-২০১২

এমপিদের পছন্দ ল্যান্ডক্রুজার

এমপিদের পছন্দ ল্যান্ডক্রুজার
নবম জাতীয় সংসদের এমপিদের প্রথম পছন্দ সাড়ে চার হাজার সিসির ল্যান্ডক্রুজার স্টেশন ওয়াগন ও প্রাডো। এ গাড়ির বর্তমান বাজার মূল্য ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা। কিন্তু এমপিরা শুল্কমুক্ত সুবিধায় এসব গাড়ি আনছেন ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকায়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি সংসদের ৩১৫ জন এমপি এ পর্যন্ত সংসদ সচিবালয় থেকে গাড়ি আমদানির অনুমতিপত্র সংগ্রহ করেছেন। এদের মধ্যে ২৭৫ জন ইতোমধ্যে গাড়ি এনেছেন। আর এদের মধ্যে ১১১ জনই এনেছেন ল্যান্ডক্রুজার স্টেশন ওয়াগন ও প্রাডো। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ল্যান্ডক্রুজার স্টেশন ওয়াগন ও প্রাডো যারা এনেছেন তাদের মধ্যে আছেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), বজলুল হক হারুন (ঝালকাঠি-১), জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন (নরসিংদী-৩), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), টিপু মুন্সী (রংপুর-৪), রেজা আলী (ময়মনসিংহ-৭), গোলাম সবুর (বরগুনা-২), নাসিম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৫), আমীর হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ (বরগুনা-১), নুর-ই-আলম চৌধুরী (মাদারীপুর-১), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), খান টিপু সুলতান (যশোর-৫), আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু (চট্টগ্রাম-১২), আ স ম ফিরোজ (পটুয়াখালী-২), এবিএম আবুল কাসেম (চট্টগ্রাম-৩), আবু তালহা (নাটোর-১), মো. মতিউর রহমান (সুনামগঞ্জ-৪), গিয়াসউদ্দিন আহমেদ (ময়মনসিংহ-১০), নুরুল ইসলাম বিএসসি (চট্টগ্রাম-৮), এনামুল হক (রাজশাহী-৪), এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার (বরিশাল-৬), একেএম রহমত উল্লাহ (ঢাকা-১০), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আকম বাহাউদ্দিন (কুমিল্লা-৬), গোলাম কিবরিয়া টিপু (বরিশাল-৩), এমএ জব্বার (সাতক্ষীরা-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-২), নাজিম উদ্দিন আহমেদ (লক্ষ্মীপুর-১), আকরাম হোসেন চৌধুরী (নওগাঁ-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), নুরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), জয়নুল আবদিন ফারুক (নোয়াখালী-২), মো. শফিকুল ইসলাম (ঝিনাইদহ-২), অ্যাডভোকেট মো. রহমত আলী (গাজীপুর-৩), মোস্তাক আহমেদ রুহী (নেত্রকোনা-১), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), সারাহ বেগম কবরী (নারায়ণগঞ্জ-৪), আবদুর রহমান (ফরিদপুর-১), শফিকুর রহমান চৌধুরী (সিলেট-২), বেগম রুমানা মাহমুদ (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল জলিল (নওগাঁ-৫), মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী (সিলেট-৩), এমএ কুদ্দুস (নাটোর-৪), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), একেএম মাইদুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম-৩), খাগড়াছড়ির যতীন্দ্রলাল ত্রিপুরা, বীরেন শিকদার (মাগুড়া-২), বেগম মেহের আফরোজ (গাজীপুর-৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), আজিজুল হক চৌধুরী (দিনাজপুর-৬), সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (ফরিদপুর-৩), হারুনুর রশীদ (চাঁদপুর-৪), শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী (লক্ষ্মীপুর-৩), জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ার (বরিশাল-৫), এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৫), হাসিনা আহমেদ (কক্সবাজার-১), মরহুম মো. আবদুর রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), আন্দালিব রহমান (ভোলা-১), জাহিদ মালেক (মানিকগঞ্জ-৩), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), আবুল কাশেম (টাঙ্গাইল-৫), সামশুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১১), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), সাগুফতা ইয়াসমিন (মুন্সীগঞ্জ-২), কেএইচ রশিদুজ্জামান (কুষ্টিয়া-১৬), রঞ্জিত কুমার রায় (যশোর-৪), এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (লক্ষ্মীপুর-৪), দীপংকর তালুকদার (পার্বত্য রাঙামাটি), আসলামুল হক (ঢাকা-১৪), আবদুল ওয়াদুদ (রাজশাহী-৫), তালুকদার মো. তৌহিদ জং মুরাদ (ঢাকা-১৯), আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মো. মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪), আবদুর রহমান বদি (কক্সবাজার-৪), নাসিমুল আলম চৌধুরী (কুমিল্লা-৮), নসরুল হামিদ (ঢাকা-৩), এসএম আবদুল মান্নান (মানিকগঞ্জ-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (সুনামগঞ্জ-২), মো. নজরুল ইসলাম (নরসিংদী-১), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), মতিউর রহমান (টাঙ্গাইল-৩), নওয়াব আলী আব্বাস খান (মৌলভীবাজার-২), মো. মজিবুল হক (কিশোরগঞ্জ-৩), এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), আবদুল লতিফ সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল-৪), মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), আনোয়ার হোসেন (পিরোজপুর-৩), খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), একেএম মোস্তাফিজুর রহমান (কুড়িগ্রাম-১), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৬), ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা (জয়পুরহাট-২), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২) এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের মমতাজ বেগম, বেগম নাসরিন জাহান, বেগম পারভীন তালুকদার, রাশেদা বেগম হীরা, অপু উকিল, বেগম তহুরা আলী, বেগম ফরিদুন্নাহার লাইলী, সালমা ইসলাম ও বেগম নাজমা আক্তার। দুই থেকে চার কোটি টাকা দামের অন্য মডেলের বিলাসবহুল গাড়ি এনেছেন আবদুল মমিন তালুকদার (বগুড়া-৩), মো. ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), খন্দকার আসাদুজ্জামান (টাঙ্গাইল-২), এবিএম আনোয়ারুল হক (মানিকগঞ্জ-১), মতিউর রহমান (ময়মনসিংহ-৪), এবিএম গোলাম মোস্তফা (কুমিল্লা-৪), মোস্তফা কামাল পাশা (চট্টগ্রাম-১৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), আনম সামশুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৪), সানজিদা খানম (ঢাকা-৪), মোজাহার আলী প্রধান (জয়পুরহাট-১), জোনায়েদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মো. মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), একেএম হাফিজুর রহমান (বগুড়া-২), মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন (ঢাকা-৭), সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), বিএম মোজাম্মেল হক (শরীয়তপুর-১), সুলতানা তরুণ (কুষ্টিয়া-৪), মীর শওকত আলী (বাগেরহাট-২), সুবিদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ (কক্সবাজার-২), মো. আবদুল ওয়াদুদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), মো. শহীদুজ্জামান (নওগাঁ-২), রাশেদ খান মেনন (ঢাকা-৮), শামসুর রহমান শরীফ (পাবনা-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দার (চুয়াডাঙ্গা-১), মো. আলী আজগর (চুয়াডাঙ্গা-২), আবদুল হাই (ঝিনাইদহ-১), খন্দকার আবদুল বাতেন (টাঙ্গাইল-৬), আনিসুল ইসলাম ম-ল (রংপুর-২), মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪), ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (বগুড়া-৭), কবিরুল হক (নড়াইল-১), আবদুল মান্নান (ঝিনাইদহ-৪), ইদ্রিস আলী (মুন্সীগঞ্জ-৩), শফিকুল আজম খান (ঝিনাইদহ-৩), কর্নেল (অব.) এমএ মারুফ সাকলান (নীলফামারী-৪), ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর (চাঁদপুর-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), এমকে আনোয়ার (কুমিল্লা-২), অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী (গাইবান্ধা-৫), মেরাজ উদ্দিন মোল্লা (রাজশাহী-৩), আবদুস ছাত্তার (ময়মনসিংহ-৮), চয়ন ইসলাম (সিরাজগঞ্জ-৬), একেএমএ আউয়াল (পিরোজপুর-১), বেগম নিলুফার জাফরউল্যাহ (ফরিদপুর-৪), মো. শাহ আলম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), ফজলে হোসেন বাদশা (রাজশাহী-২), মনোয়ার হোসেন চৌধুরী (গাইবান্ধা-৪), হাফিজ আহমেদ মজুমদার (সিলেট-৫), শাহ জিকরুল আহমেদ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), মো. আবু জাহির (হবিগঞ্জ-৩), জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২), মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম (চাঁদপুর-৫), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), অধ্যাপক ডা. এমএ মান্নান (কিশোরগঞ্জ-২), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), লুৎফর রহমান (কক্সবাজার-৩), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান (দিনাজপুর-৫), জাফর আলী (কুড়িগ্রাম-২), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), একেএম মোজ্জাম্মেল হক (গাজীপুর-১), খালিদ মো. চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ফরিদুল হক খান (জামালপুর-২), শফিকুল ইসলাম (সিরাজগঞ্জ-৪), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ঠাকুরগাঁও-৫), শাহাবুদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হায়াতুর রহমান (ময়মনসিংহ-২), মোল্লা জালাল উদ্দিন (খুলনা-৪), রফিকুল ইসলাম (চাঁদপুর-২), মাহবুব আরা বেগম (গাইবান্ধা-২), ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম (চট্টগ্রাম-১৩), নুরুন্নবী চৌধুরী (ভোলা-৩), এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন (নোয়াখালী-১), আনোয়ারুল আশরাফ খান (নরসিংদী-২), মহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউল হক মৃধা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ (বরিশাল-৪), আসাদুজ্জামান খান কামাল (ঢাকা-১১), উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), একেএম ফজলুল হক (শেরপুর-৩), সোহরাব আলী সানা (খুলনা-৬), বীর বাহাদুর উশৈ সিং (পার্বত্য বান্দরবান), ননী গোপাল ম-ল (খুলনা-১), শেখ মজিবুর রহমান (সাতক্ষীরা-১), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), মোজাহেরুল হক প্রধান (পঞ্চগড়-১), বেগম হাবিবুন নাহার (বাগেরহাট-৩), ব্যারিস্টার মো. জমিরউদ্দীন সরকার (বগুড়া-৬), আশরাফ আলী খান (নেত্রকোনা-২), মঞ্জুর কাদের কোরাইশী (নেত্রকোনা-৩), ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১২), গোলাম মাওলা রনি (পটুয়াখালী-৩), খালেদুর রহমান টিটু (যশোর-৩), মজিবুর রহমান (লালমনিরহাট-২), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ (যশোর-২), মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), মো. মোশাররফ হোসেন (ফেনী-৩), জয়নাল আবেদিন (মেহেরপুর-১), আমজাদ হোসেন (মেহেরপুর-২), মো. সিরাজুল আকবর (মাগুরা-১), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), জিয়াউর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), আবদুল লতিফ বিশ্বাস (সিরাজগঞ্জ-৫), গোলাম ফারুক খোন্দকার প্রিন্স (পাবনা-৫), জেডআইএম মোস্তফা আলী (বগুড়া-৪), নজরুল ইসলাম মঞ্জু (খুলনা-২), কাজী ফারুক কাদের (নীলফামারী-৩), আবদুল মান্নান খান (ঢাকা-১), প্রমোদ মানকিন (ময়মনসিংহ-১), আবদুল মজিদ খান (হবিগঞ্জ-২), সাইদুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), কেএম খালিদ (ময়মনসিংহ-৫) এবং মিজানুর রহমান খান (ঢাকা-৬) এবং সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ জাহানারা বেগম, শাহিন মনোয়ারা হক, মাহফুজা ম-ল, অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, ফরিদা আক্তার, মমতাজ বেগম, আহমেদ নাজমীন সুলতানা, বেগম ফরিদা রহমান, বেগম আসমা জেরিন, এথিন রাখাইন, শওকত আরা বেগম, বেগম জিন্নাতুন নেসা, সাধনা হালদার, নুরজাহান বেগম, অধ্যক্ষ খাদিজা খাতুন শেফালী, নিলুফার চৌধুরী মণি, সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, রওশন জাহান সাথী, বেগম নুর আফরোজ আলী, শেফালী মমতাজ, বেগম আশরাফুন্নেছা, চেমন আরা তৈয়ব, সাহিদা তারেক দীপ্তি, বেগম সাফিয়া খাতুন, বেগম সুলতানা বুলবুল, রুবী রহমান ও রেবেকা মমিন। এনবিআর সূত্র জানায়, এমপিদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় এ পর্যন্ত ২৭৫টি গাড়ি আমদানিতে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে এক হাজার কোটি টাকার বেশি। পাইপলাইনে থাকা আরো অর্ধশত গাড়ি এলে এ অঙ্ক আরো বাড়বে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮৭ সালের ২৪ মে সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানির প্রথা চালু করেন। ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ সুযোগ বাতিল করে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথমে এ সুযোগ রাখা হবে না ঘোষণা দিলেও পরে তারা আর সেই অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারেনি। সংসদ সদস্যদের অব্যাহত চাপে একপর্যায়ে আইনটি পুনর্বহাল করতে বাধ্য হয় সরকার। পরে শুল্কমুক্ত সুবিধায় সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানির জন্য ২৯ জুন এনবিআর একটি পরিপত্র জারি করে। এতে গাড়ি কখনো হস্তান্তর করা যাবে না, বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি করা যাবে না, সরকারের রাজস্ব পরিশোধ করতে হবে এবং গাড়ির নাম্বার-প্লেটে নিজ জেলা ও নির্বাচনী এলাকার আসন নাম্বার লেখা বাধ্যতামূলকসহ ১১টি শর্ত আরোপ করা হয়। কিন্তু সংসদ সদস্যরা কিছু শর্তে আপত্তি জানান। তাদের বেশি আপত্তি ছিল গাড়ির নাম্বার-প্লেটে নিজ জেলা ও নির্বাচনী এলাকার নাম্বার লেখার শর্তে। উল্লেখ্য, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এ রকম আইন না থাকায় সংসদ সদস্যদের অনেকেই গাড়ি আমদানি করে তা অন্যের কাছে বিক্রি করে দেন। পরে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সময় এ ধরনের অনেক গাড়ি রাতের অাঁধারে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যান মালিকরা। এ রকম অনিয়মের অভিযোগ যেন উঠতে না পারে, সেজন্যই ৬ নাম্বার শর্তটি আরোপ করা হয়েছিল। কিন্তু শর্তটির ব্যাপারেও সংসদ সদস্যদের ঘোর আপত্তির কারণে সংসদ সচিবালয় সেটাও তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ২৩ নভেম্বর এ সিদ্ধান্ত এনবিআরকে জানিয়ে শর্তটি বাতিল করার অনুরোধ করা হয়। এদিকে গাড়ি খালাসের সময় সংসদ সদস্যরা যে মুচলেকা দেন, তা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তারা শুল্কমুক্ত সুবিধার সব বিধি-বিধান ও শর্ত মেনে চলবেন বলে মুচলেকা দিলেও পরে তারা অধিকাংশ শর্তই মানেন না। বিশেষ করে গাড়ি হস্তান্তর করা হবে না মর্মে দেয়া প্রধান শর্তটিই তারা ভঙ্গ করেন। এ ব্যাপারে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান যায়যায়দিনকে জানান, সংসদ সদস্যদের জন্য বিশেষ সুবিধায় গাড়ি আমদানি 'সংবিধানে সব নাগরিকের জন্য সমান অধিকার'_ বিধানের চরম লঙ্ঘন। এ দেশের প্রেক্ষাপটে সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির কোনো যৌক্তিকতা নেই। যারা এ গাড়ি আমদানি করেন, তারা সংবিধান রক্ষা না করে নিজেদের স্বার্থে কাজ করছেন। এছাড়া নতুন করে আইন বা শর্ত দিয়ে কোনো লাভ নেই। এটা আইওয়াশ। কোনো শর্তই তাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। এ ব্যাপারে এনবিআরের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি যায়যায়দিনকে জানান, সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানি করার আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। তাই তারা গাড়ি আমদানি করছেন। এটা সরকারি সিদ্ধান্ত। এখানে তাদের করার কিছু নেই।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে